ফেনীতে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো দ্বিতীয় কারাগারের কার্যক্রম। শনিবার সকালে জেল সুপার দিদারুল আলম আনুষ্ঠানিকভাবে এ কারাগারের উদ্বোধন করেছেন। এ সময় জেলার দ্বিতীয় এ কারাগারে চট্টগ্রাম বিভাগের পাচঁটি জেলা কারাগার থেকে সাজাপ্রাপ্ত মোট ১৮০ জন বন্দিকে স্থানান্তর করা হয়। এর আগে পুরাতন জেলা কারাগার ভবনকেই ‘ফেনী কারাগার-২’, হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
কারাগার সুত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম বিভাগের পাঁটিটি জেলা কারাগার থেকে মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বন্দিদের মধ্যে ফেনী কারাগার থেকে বিচারাধীন জর্জ কোর্টে বিচারাধীন বন্ধী ২১ জন, চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ২৬ জন, কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ৭৪ জন, নোয়াখালী কারাগার থেকে ১৫ জন, লক্ষ্মীপুর কারাগার থেকে ১১ জন ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া কারাগার থেকে ৩৩ জন বন্দিকে ফেনী কারাগার-দুই এ স্থানান্তর করা হয়। এ ছাড়া ফেনী কারাগার-দুই এ ১৯ পদে মোট ৮৮ জন জনবলের মধ্যে ৭০ জন নিয়োগ হয়েছে। বাকিরা প্রশিক্ষণ শেষে যোগদান করবেন।
জেল সুপার মো. দিদারুল আলম বলেন, পাঁচ জেলা কারাগার থেকে মাদকসহ বিভিন্ন মামলায় সাজাপ্রাপ্ত ১৮০ জন বন্দিকে স্থানান্তর করা হচ্ছে। এর মধ্যে ফেনীর দায়রা জজ আদালতে বিচারাধীন বন্দিদের মধ্যে ফেনী কারাগার-এক থেকে ২১ জনকে আনা হবে। বন্দিদের থাকার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। শুধু কারাগারের চারপাশের দেয়াল সাড়ে তিন ফুট পর্যন্ত উঁচু করা ও কাঁটাতার লাগানোসহ কিছু কাজ বরাদ্দ পেলে পরবর্তীতে সম্পন্ন করা হবে। এ বিষয়ে গণপূর্ত বিভাগের অধীনে সংস্কার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। বন্দিদের খাবার প্রস্তুতের জন্য কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে রান্নার কাজে অভিজ্ঞ ২৪ জন বন্দিকে বৃহস্পতিবার দুপুরে ফেনীতে আনা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ১৯১৫ সালে ফেনী শহরের মাস্টারপাড়ায় দেড় একর জমির ওপর উপ-কারাগার হিসেবে প্রথম ফেনী কারাগার প্রতিষ্ঠিত হয়, যার বন্দি ধারণক্ষমতা ছিল মাত্র ১৭২ জন। ১৯৯৮ সালে এটি জেলা কারাগারে উন্নীত হলেও তেমন কোনো আধুনিক সুবিধা ছিলো না।
আরও পড়ুন:








