বগুড়া সদর উপজেলার এরুলিয়াতে আওয়ামীলীগ নেতা ও জুলাই গণঅভ্যর্থানের ছাত্র হত্যার চেষ্টা মামলার আসামী সুলতান সরকারের বিরুদ্ধে জুলাইযোদ্ধা কাজল সরদারকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে।
এঘটনায় ভুক্তভোগী জুইলাই যোদ্ধা বগুড়া সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দিলেও আইনগত কোন ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ।
জুলাইযোদ্ধা কাজল সরদার (৬০) বলেন, গত মঙ্গলবার অভিযুক্ত ইউপি সদস্য সুলতান সরকার ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতা ও জুলাই বিপ্লব মামলার এজাহার ভুক্ত আসামী। সে ১০টাকা কেজি চাউলের প্রায় শতাধিক কার্ড ভোক্তাদের কাছে না রেখে নিজের কাছে রেখেছিল। আমি ডিলারের কাছে গিয়ে সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের চাউলের কার্ড গুলো ফেরত চাইলে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালি দিয়ে আমাকে চড় মারে ও মারপিট করে লাঞ্চিত ও আহত করে।
তিনি আক্ষেপের সুরে বলেন, নিজের জীবন বাজি রেখে দেশকে ফ্যাসিস্ট মুক্ত করলাম কিন্তু গনঅভ্যুত্থানের পর আমাকেই জুলাই বিপ্লব মামলার আসামী ও আওয়ামীলীগ নেতার হাতে লাঞ্চিত হতে হলো। মামলা থাকার পরেও জামিন না নিয়েই সে এখনো এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুরেফিরে বেড়াচ্ছে। থানা পুলিশ নিরব ভূমিকা পালন করছে যা অত্যন্ত দুঃখজনক।
জুলাইযোদ্ধার ছেলে আতিকুল ইসলাম বলেন, আমার বাবা এই বৃদ্ধ বয়সেও জীবনের মায়া ত্যাগ করে ছাত্র আন্দোলনে অংশ নিয়ে ৪ই আগস্ট পুলিশের গুলিতে আহত হয়েছিল। আওয়ামিলীগ সরকারের পালিয়ে গেলেও তার দোসরের হাতে আমার বাবাকে লাঞ্চিত হতে হলো। আমি অপরাধীর কঠিন শাস্তি চাই।
থানায় খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, আওয়ামী লীগ নেতা সুলতান সরকারের বিরুদ্ধে জুলাই গনঅভ্যুত্থানের দুটি হত্যার চেষ্টা মামলা রয়েছে। যাহার মামলা নং ৭৯, এবং ৫৬ বগুড়া সদর।
এব্যাপারে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য ও আওয়ামীলীগ নেতা সুলতান সরকার বলেন, আমাকে অশ্লীল ভাষায় গালি দেওয়ার জন্য আমি তাকে মেরেছি। তাতে যদি উচ্চ আদালতেও যেতে হয় আমি যাবো। আমি জুলাই বিপ্লব মামলার আসামী। তাতে কার কি সমস্যা?
এবিষয়ে সদর বগুড়া সদর থানার হাসান বাসির জানান, বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
আরও পড়ুন:








