সোমবার

১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ৩ ফাল্গুন, ১৪৩২

ফেনীতে র‌্যাবের অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় শাড়ি ও ওষুধ উদ্ধার

ফেনী প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর, ২০২৫ ১৩:০৬

শেয়ার

ফেনীতে র‌্যাবের অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় শাড়ি ও ওষুধ উদ্ধার
ছবি: বাংলা এডিশন

ফেনীর ধর্মপুর আশ্রয়ন প্রকল্প এলাকায় র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন, র‌্যাব-৭ চট্টগ্রামের একটি দল অভিযান চালিয়ে শুল্কফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে আমদানিকৃত বিপুল পরিমাণ ভারতীয় শাড়ি, জিন্স প্যান্ট এবং ওষুধ উদ্ধার করেছে। উদ্ধারকৃত পণ্যের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩২ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

র‌্যাব-সাত, চট্টগ্রাম সূত্রে জানা যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে ফেনী জেলার ফেনী সদর থানাধীন ধর্মপুর আশ্রয়ন প্রকল্প এলাকায় জনৈক মোঃ অহিদুল মুন্সির বসতবাড়ির পেছনের ফাঁকা জায়গায় শুল্কফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারতীয় কাপড় ও ওষুধ মজুদ রাখা হয়েছে।

উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে ২৮ অক্টোবর ২০২৫ ইং তারিখ দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম এর একটি আভিযানিক দল ফেনী সদর থানার অন্তর্গত ধর্মপুর আশ্রয়ন প্রকল্প এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযানকালে পরিত্যক্ত অবস্থায় পাঁচটি সাদা রঙের প্লাস্টিকের বস্তা এবং ১২টি খাকি রঙের কার্টন উদ্ধার করা হয়। এসব বস্তা ও কার্টন তল্লাশি করে র‌্যাব সদস্যরা ৩০২টি ভারতীয় শাড়ি, ২৪৮টি ভারতীয় জিন্স প্যান্ট এবং দুই হাজার ১৮৪ পিস ভারতীয় ওষুধ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।

র‌্যাব জানায়, উদ্ধারকৃত এসব পণ্য শুল্কফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ভারত থেকে পাচারকারীরা সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে পণ্যগুলো বাংলাদেশে এনে গোপনে স্থানীয় বাজারে বিক্রির প্রস্তুতি নিচ্ছিলো।

র‌্যাব-সাত এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, উদ্ধারকৃত ভারতীয় পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩২ লাখ টাকা, যা রাষ্ট্রীয় রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে আমদানি করা হয়েছিলো।

অভিযান শেষে উদ্ধারকৃত আলামতসমূহ পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ফেনী সদর মডেল থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

র‌্যাব-সাত এর এক কর্মকর্তা জানান, সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে নিয়মিতভাবে এ ধরনের চোরাচালান রোধে র‌্যাব সদস্যরা বিশেষ নজরদারি চালাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ‘দেশের অর্থনীতি ও জনগণের স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয় এমন অবৈধ পণ্য আমদানি বা চোরাচালানকারীদের বিরুদ্ধে র‌্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’



banner close
banner close