মাদারীপুরে চোর সন্দেহে এক বছরের শিশুসহ দুই নারীকে দুই ঘণ্টা আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে স্বর্ণ ব্যবসায়ী গোপাল চন্দ্র ঘোষের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী ওই নারীর দাবি, তিনি একটি দোকান থেকে হাতের চুরি কিনতে গিয়েছিলেন। পরে তাদের চোর বলে আটক রাখা হয়।
রবিবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যার দিকে পৌর শহরের পুরাতন বাজার স্বর্ণপট্টিতে এ ঘটনা ঘটে। এদিকে ঘটনাটির পর রাতে ভুক্তভোগী ওই নারী মাদারীপুর সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ ও ভুক্তভোগী নারী সূত্রে জানা যায়, রবিবার বিকেলে তালতলা এলাকার শ্বশুরবাড়ি থেকে ওই নারী তার এক বছরের মেয়ে শিশুর জন্য রুপার একটি চুরি কেনার উদ্দেশ্যে পুরান বাজার স্বর্ণকার পট্টিতে যান। পরে একটি দোকান থেকে রুপার চুরি কিনতে গেলে ওই স্বর্ণ ব্যবসায়ী তাকে চোর বলে অভিযুক্ত করেন এবং একটি স্বর্ণের দোকানে ওই নারী, তার এক বছরের শিশু ও ননদকে দুই ঘণ্টা আটকে রাখেন।
পরে ভুক্তভোগী নারীর পরিবার জানতে চাইলে ব্যবসায়ী বলেন, ‘সিসিটিভির ফুটেজে প্রমাণ আছে।’ কিছুক্ষণ পর তিনি আবার বলেন, ‘সিসিটিভি নষ্ট।’ ঘটনায় স্বর্ণ ব্যবসায়ী কোনো প্রমাণ দেখাতে না পারায় মানসম্মান নষ্ট হওয়ায় ওই নারী স্বর্ণ ব্যবসায়ীর বিচার চেয়ে সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বলেন, স্বর্ণ ব্যবসায়ী আমাকে একটি দোকানে দুই ঘণ্টা আটক রেখেছে। এতে আমার মান-সম্মান নষ্ট হয়েছে। আমি তার সঠিক বিচার চাই।
অভিযুক্ত স্বর্ণ ব্যবসায়ী গোপাল চন্দ্র ঘোষ বলেন, আমার তাকে সন্দেহ হয়েছিল। পরে আমি সেক্রেটারিকে জানালে সেক্রেটারি তাকে ৪৫ মিনিট আটকে রেখেছে।
বিনা অপরাধে কাউকে আটক রাখা যায় কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি আটকাইনি, আটকেছে সেক্রেটারি।
এদিকে সেক্রেটারি কামাল হোসেন বলেন, স্বর্ণকারের কথায় তাদের আটকিয়ে রাখা হয়েছে।
এ বিষয়ে মাদারীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আদিল হোসেন বলেন, এ বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন:








