সোমবার

১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ৪ ফাল্গুন, ১৪৩২

বেনাপোল স্থল বন্দরে আমদানিকৃত পণ্যের রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২৭ অক্টোবর, ২০২৫ ১৩:৩৪

আপডেট: ২৭ অক্টোবর, ২০২৫ ১৫:০৭

শেয়ার

বেনাপোল স্থল বন্দরে আমদানিকৃত পণ্যের রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ
ছবি: সংগৃহীত

পাঁচ আগস্ট এর পরে দেশের সর্ববৃহৎ স্তল বন্দরে কাস্টম হাউজ এর কর্মকর্তা ও বেনাপোল স্থল বন্দরের শেড ইনচার্জ এবং তাদের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় আমদানি ও চোরাচালান পণ্যের রাজস্ব ফাঁকির মহা উৎসব শুরু হয়েছে।

এজন্য বেনাপোল কাস্টম হাউজ ও সরকার হারাচ্ছে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব। বেনাপোল স্থলের বন্দরের কতিপয় সেড ইনচার্জ রাজস্ব ফাঁকি দেয়া কাজে যুক্ত। কিছুদিন আগে বেনাপোল স্থল বন্দরের নিরাপত্তা বাহিনীর ট্রাক থেকে চাঁদাবাজির রিপোর্ট প্রকাশ এরপর দুই প্লাটুন তৎক্ষণিক আনসারদের প্রত্যাহার করা হয়।

আনসারদের প্রত্যাহারের পর বেরিয়ে আসে রাজস্ব ফাঁকির আসল তথ্য। তথ্য মতে অবৈধ ও চোরাচালন পণ্য রাজস্ব ফাঁকি দেয়া মূল হোতাদের নাম। এদের মূল হোতা ওয়্যার হাউস সুপারিনটেন্ট আশিকুর রহমান রনি, রফিকুল ইসলাম ওরফে চোর রফিক আসমাউল হোসেন, জাবেদী বিল্লাহ। উল্লেখ্য পোর্ট থানা সাবেক ওসি অপূর্ব হাসান বেনাপোল পোর্ট থানায় থাকাকালীন চোর রফিককে দুইবার ধরে নিজে মারধর করে মোটা অংকের টাকা বিনিময়ে সাবেক ওসি অপূর্ব হাসান তাকে ছেড়ে দেয়।

সংঘবদ্ধ একটি চক্র বেনাপোল স্থল বন্দর ব্যবহার করে পাঁচ আগস্ট এর পর জাল কার্গো মেনিফিষট মাধ্যমে ভারত থেকে মাল আমদানি করে । সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে পাঁচ আগস্টের পর বেনাপোল কাস্টমস ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, কাস্টমসের আই আর এম শাখা ও সেড ইনচার্জদের সহযোগিতায় আমদানি কারক ও কতিপয় সি এন্ড এফ এজেন্ট সরকারের কোটি কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছে।

স্থানীয়রা ও সাধারণ সি এন্ড এফ এজেন্ট ব্যবসায়ীদের ধারণা বেনাপোল কাস্টমস হাউজের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা বেনাপোল স্থল বন্দরের শেড ইনচার্জ তাদের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে জড়িত।



banner close
banner close