ইসকন একটি জঙ্গি সংগঠন হিসেবে কাজ করছে। ‘র’ ও ইসকন কেন্দ্রিক চক্র ভারতীয় প্রেসক্রিপশন বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেন ওলামা ঐক্য পরিষদ ও সর্বস্তরের মুসলমানরা।
রবিবার শেরপুরের নকলায় প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলে তারা এসব মন্তব্য করেন।
গাজীপুরে মসজিদের খতিবকে গুম করে হত্যাচেষ্টাসহ সারাদেশে মুসলিম মেয়েদের টার্গেট করে ধর্ষণের সাথে সংশ্লিষ্ট উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠন ইসকনকে নিষিদ্ধের দাবীতে শেরপুরে প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে ওলামা ঐক্য পরিষদ ও সর্বস্তরের জনগণ।
সমাবেশে নকলা ওলামা ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আনসারুল্লাহ তারার সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন, হেফাজতে ইসলাম পৌর সভাপতি মুফতি তোফায়েল আলম কাছেমী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা শামছুল হুদা জিহাদী, সহ-সভাপতি মুফতি মনিরুল ইসলাম হালিমী, ইসলামি আন্দোলনের সভাপতি মুফতি আব্দুল জলিল কাসেমী, হাফেজ ক্বারী সায়েদুল ইসলামসহ অন্যরা।
বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, ‘সম্প্রতি বুয়েটে হিন্দু শিক্ষার্থী কর্তৃক কোরান অবমাননা, গাজীপুরের মসজিদের খতিবকে গুম করে হত্যা চেষ্টাসহ ‘র’ ও ইসকন কেন্দ্রিক একটি দালাল চক্র বাংলাদেশের মুসলিম মেয়েদের ধর্ষণের মতো ঘৃন্য কাজ দিনের পর দিন কাজ করে যাচ্ছে। তাদের ফাঁদ থেকে মা বোনেরা নিরাপদ নয়। মুসলিম হিসেবে এ সকল অন্যায়কে বিন্দুমাত্র ছাড় দেয়া হবে না। আমরা এই ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি চাই।’
তারা আরও বলেন, ‘দিনে দুপুরে ইসকনের সদস্যরা চট্টগ্রামে আইনজীবি সাইফুল ইসলাম আলিফকে হত্যা করলেও সরকার এখন পর্যন্ত ইসকন নিষিদ্ধের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়নি। আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল তাই আইনীভাবেই উগ্র হিন্দুত্ববাদী জঙ্গী সংগঠন ইসকনের নিষেধাজ্ঞা চাই।’
বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ উল্লেখ করে এ দেশে কোনো জঙ্গিবাদী ইসলামবিরোধী সংগঠন তাদের কার্যক্রম চালাতে পারবে না বলেও হুশিয়ার করেন বক্তারা।
আরও পড়ুন:








