সিরাজগঞ্জ এনায়েতপুর কেজি মোড় এলাকায় অবস্থিত রনি মিষ্টান্ন ভান্ডারে ওজনে কম দেয়া ও অতিরিক্ত দাম নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। প্রতিষ্ঠানটির মালিক রঞ্জিত ঘোষের বিরুদ্ধে গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারণা ও দই-মিষ্টিতে ক্ষতিকর উপাদান ব্যবহারেরও অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, জেলা শহরে এক কেজি খুটির দই ২০০ থেকে ২২০ টাকায় এবং দুই কেজির খুটি দই ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি হলেও রনি মিষ্টান্ন ভান্ডারে একই দই বিক্রি হচ্ছে যথাক্রমে ৩০০ ও ৬২০ টাকায়। এছাড়া এক কেজি হিসেবে বিক্রি করা খুটিতে প্রকৃত ওজন পাওয়া গেছে ৬০০ থেকে ৭০০ গ্রাম, আর দুই কেজির দইয়ে ওজন পাওয়া গেছে সর্বোচ্চ এক কেজি ৬০০ গ্রাম পর্যন্ত।
অভিযোগ রয়েছে, দোকানে মিষ্টি ও দই তৈরি করা হয় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে এবং আকর্ষণীয় রং ও স্বাদ বৃদ্ধির জন্য ব্যবহার করা হয় ক্ষতিকর কেমিক্যাল। স্থানীয়রা জানান, এসব অনিয়মের কারণে ক্রেতারা প্রতিনিয়ত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তারা দ্রুত ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের নজরদারি ও আইনি ব্যবস্থা দাবি করেছেন।
অভিযোগের বিষয়ে রনি মিষ্টান্ন ভান্ডারের মালিক রঞ্জিত ঘোষ বলেন, আমাদের মিষ্টির মান ভালো, তাই দাম কিছুটা বেশি। তবে দইয়ের ওজন কম দেয়া ও কেমিক্যাল ব্যবহারের অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেন।
বাংলাদেশ ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সিরাজগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. সোহেল সেখ বলেন, রনি মিষ্টান্ন ভান্ডার সংক্রান্ত সংবাদ আমাদের নজরে এসেছে। বিষয়টি যাচাই করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন:








