ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) মর্গে এক মৃত যুবতীর লাশ ধর্ষনের শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়েছে অভিযুক্ত যুবক মো: আবু সাঈদ।
এনিয়ে জেলাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার দুপুরে সংশ্লিষ্ট মামলায় আসামিকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে ময়মনসিংহ চীফ জুডিশিয়াল আদালতের মাধ্যমে ময়মনসিংহ কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে গত ২০ অক্টোবর দুপর দেড়টায় মমেক মর্গে এই ধর্ষনের ঘটনা ঘটে।
ধর্ষক মো: আবু সাঈদ হালুয়াঘাট উপজেলার খন্দকপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মো: জয়নাল আবেদীনের ছেলে। সে হালুয়াঘাট থানা পুলিশের লাশ বাহক হিসাবে কর্মরত ছিল।
থানা পুলিশ সূত্র জানা যায়, গত ১৯ অক্টোবর হালুয়াঘাট উপজেলার ঘোষবেড় এলাকার এক যুবতী ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করে। এ ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ মৃতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য লাশবাহক আবু সাঈদকে মাহেন্দ্রযোগে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। সেখানে মৃতের স্বজনরা না থাকায় সুযোগ বুঝে আসামি আবু সাঈদ মৃত যুবতীর লাশকে ধর্ষন করে। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট ময়নাতদন্তকারি চিকিৎসক হালুয়াঘাট থানা পুলিশকে জানায় যে- মৃত যুবতীর যৌনাঙ্গে তাজা বীর্য পাওয়া গেছে, ধারনা করা হচ্ছে- ওই মৃত যুবতীর লাশের সঙ্গে ধর্ষনের ঘটনা ঘটেছে।
এমন তথ্যে মামলার বাদি হালুয়াঘাট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো: জামাল মিয়া গোপন সোর্সের মাধ্যমে ধর্ষণের সত্যতা জানতে পেরে গতকাল ২১ অক্টোবর আসামি আবু সাঈদকে হালুয়াঘাট পৌরসভার পাঠাগার মোড় এলাকা থেকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। এ সময় আসামি ধর্ষণের সত্যতা স্বীকার করে- বলে জানায় উপপরিদর্শক (এসআই) মো: জামাল মিয়া।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: শিবিরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় হালুয়াঘাট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো: জামাল মিয়া বাদি হয়ে অভিযুক্ত আবু সাঈদকে আসামি করে কোতোয়ালি মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছে। ওই মামলায় আসামিকে আজ আদালতে পাঠানো হলে সেখানে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবাবনবন্দি দিয়েছে।
আরও পড়ুন:








