সোমবার

১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ৪ ফাল্গুন, ১৪৩২

গাইবান্ধার এসপি ও ওসিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে আদালতে পুলিশের এসআইয়ের স্ত্রীর মামলা

গাইবান্ধা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২৩ অক্টোবর, ২০২৫ ২১:৩৭

শেয়ার

গাইবান্ধার এসপি ও ওসিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে আদালতে পুলিশের এসআইয়ের স্ত্রীর মামলা
সংগৃহীত ছবি

অন্যায়ভাবে ডেকে নিয়ে মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপ আটক রাখার অভিযোগে গাইবান্ধার পুলিশ সুপার (এসপি) নিশাত এ্যঞ্জেলা এবং সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর ইসলাম তালুকদারসহ তিনজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বাদি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জান্নাতুল ফেরদৌসি লাবনী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে, বুধবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে গাইবান্ধা আমলী আদালত (সদর) এ মামলাটি দায়ের করেন পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মনিরুজ্জামানের স্ত্রী কাজলী খাতুন। শুনানি শেষে আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পুলিশ সুপার পদমর্যাদার নিচে নয় এমন কোনো কর্মকর্তাকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দেন এবং আগামী ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলেন।

মামলার তৃতীয় আসামি করা হয়েছে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারি-ইসলামপুর এলাকার মৃত আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে তারেকুজ্জামান তুহিনকে (২৩)। তুহিন এসআই মনিরুজ্জামানের বোনের সাবেক স্বামীর মামাতো ভাই।

বাদি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জান্নাতুল ফেরদৌসি লাবনী বলেন, বাদির স্বামী এসআই মনিরুজ্জামান তখন গাইবান্ধা সদর থানায় কর্মরত ছিলেন। এক আত্মীয়ের মৌখিক অভিযোগের সূত্র ধরে তাকে এসপি অফিসে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয় এবং তার মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপ আটক রাখা হয়। বিষয়টির প্রতিকার না পেয়ে শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন কাজলী খাতুন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৫ মার্চ সদর থানার ওসি শাহিনুর ইসলাম ফোন করে জরুরি ভিত্তিতে পুলিশ সুপার নিশাত এ্যঞ্জেলার কার্যালয়ে হাজির হতে বলেন। সেখানে এসআই মনিরুজ্জামানকে দীর্ঘ সময় বসিয়ে রেখে চাকরি হারানোর ভয় দেখানো হয় এবং তার ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন ও থানায় রাখা ল্যাপটপ জব্দ করা হয়। পরে এসপি’র নির্দেশে ওই ডিভাইসগুলো সদর থানার ওসির কাছে আটক রাখা হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়, পারিবারিক শত্রুতার জেরে তারেকুজ্জামান তুহিন ফেসবুকে ছাত্রলীগের ট্যাগ দিয়ে ছবি প্রকাশের অভিযোগ তুলে মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য দেয়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তাকে অফিস কক্ষে আটকে রেখে হুমকি ও মানসিক নির্যাতন করা হয়।

অভিযোগ বিষয়ে জানতে পুলিশ সুপার নিশাত এ্যঞ্জেলা ও সদর থানার ওসি শাহিনুর ইসলাম তালুকদারের সঙ্গে ফোন ও হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।



banner close
banner close