মঙ্গলবার

১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ৪ ফাল্গুন, ১৪৩২

সেতুর সংযোগ সড়ক না থাকায় ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২২ অক্টোবর, ২০২৫ ১৩:০৮

শেয়ার

সেতুর সংযোগ সড়ক না থাকায় ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ
সেতুর উত্তর পাশে কাঠের সাঁকো দিয়ে পার হচ্ছে পথচারী।

পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নে জোড়পুল ব্রিজের কাজ দুই বছর আগে শেষ হলেও এখনো তৈরি হয়নি ব্রিজের পাশের সংযোগ সড়ক। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন বাঁশবাড়িয়া ও বহরমপুর ইউনিয়নের কয়েক হাজার মানুষ।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ব্রিজের মূল কাজ শেষ হয়েছে। সেতুর দক্ষিণ পাশে কয়েক দিন আগে বালু ফেলে ভরাট করা হয়েছে, আর উত্তর পাশে অস্থায়ীভাবে কাঠের সাঁকো দেয়া আছে। স্কুলশিক্ষার্থী, বয়স্ক ও শিশুসহ সাধারণ পথচারীরা ঝুঁকি নিয়ে ওই কাঠের সাঁকো দিয়ে পারাপার করছেন।

স্থানীয়রা জানান, বহরমপুর ইউনিয়নের মানুষের দশমিনা সদরে যাতায়াতের জন্য এই সেতুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া এই এলাকার কৃষকরা উৎপাদিত ফসল বাজারজাত করতে বিপাকে পড়েন। সেতুর সংযোগ সড়ক না থাকায় কেউ হঠাৎ অসুস্থ হলে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া যায় না, অনেক দূর ঘুরে যেতে হয়।

অটোচালক হাবিবুর রহমান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সেতুর সংযোগ সড়ক না থাকায় অনেক ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। হঠাৎ প্রসব বেদনা উঠলে গর্ভবতী মায়েদের সরাসরি হাসপাতালে নেয়া যায় না, কাঁধে করে সেতু পার করাতে হয়।

নেহালগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী জুঁই বলেন, বর্ষা মৌসুমে অনেক ঝুঁকি নিয়ে এই সেতু পার হয়ে স্কুলে যেতে হয়। মাঝেমধ্যে সেতু থেকে নামার সময় পিছলে পড়ে যায় অনেকে।

স্থানীয় বাসিন্দা শামসুল হক বলেন, দীর্ঘদিন ধরে দুর্ভোগে আছি আমরা। আমাদের মানুষ মনে করে না। মূল সেতুর কাজ শেষ হয়েছে বহু আগে, কিন্তু সংযোগ সড়ক হচ্ছে না। কখন কার হাত-পা ভাঙে সেই ভয় নিয়ে চলতে হয়। অভিযোগ করারও কাউকে পাওয়া যায় না।

দশমিনা উপজেলা এলজিইডির সহকারী প্রকৌশলী মো. মকবুল হোসেন বলেন, দুই বছর আগে মূল সেতুর কাজ শেষ হয়েছে। কিন্তু সেতুর একপাশে বিদ্যুতের খুঁটি থাকায় সংযোগ সড়কের কাজ সম্পন্ন করা যায়নি। আশা করছি, দ্রুত সেতুর সংযোগ সড়কের কাজ সম্পন্ন হবে।



banner close
banner close