লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার গোতামারী ইউনিয়নের কুমারপাড়া এলাকায় স্বামী ও নয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে গত ২২ সেপ্টেম্বর রাতে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই এলাকার আ. হামিদের ছেলে অলি মিয়া (৩০) পূর্বে চারটি বিয়ে করেছিলেন। প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার পর তিনি একে একে আরও তিনটি বিয়ে করেন। তবে মায়ের নির্যাতনের কারণে পূর্বের স্ত্রীদের কেউই সংসার টিকিয়ে রাখতে পারেননি।
পরে অলি মিয়া একই ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত সোবহানের মেয়ে ছকিনার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন এবং পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেন। কিন্তু ছকিনাও শ্বাশুড়ির অত্যাচার থেকে রেহাই পাননি।
পারিবারিক সূত্র জানায়, অলির মা ছেলেকে চাপ দিতে থাকেন ছকিনাকে ডিভোর্স দিতে। কিন্তু অলি রাজি না হওয়ায় ছকিনার ওপর নির্যাতন আরও বেড়ে যায়। তবুও তিনি সব সহ্য করে স্বামীর সংসার করছিলেন।
ঘটনার দিন (২২ সেপ্টেম্বর) শ্বশুর, শ্বাশুড়ি ও ননদের সঙ্গে ঝগড়ার পর রাতে অলি মিয়া ও ছকিনার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
এলাকাবাসী জানায়, মরদেহের অবস্থা দেখে তাদের সন্দেহ হয় এটি আত্মহত্যা নয়। অলির ছোট ভাইসহ প্রতিবেশীরা পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন, অলির মাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে। তবে পুলিশ তাকে আটক করেনি।
ছকিনার পরিবার ও ওলির প্রথম স্ত্রীর মামা জানান, ছকিনাকে হত্যা করা হয়েছে, আর স্ত্রীর লাশ দেখে অলি মিয়া আত্মহত্যা করেছেন। পরে অলির পরিবার ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসেবে সাজানোর চেষ্টা করেছে বলেও তাদের অভিযোগ।
এ ঘটনার পরদিন (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে হাতীবান্ধা থানায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে শ্বশুর ও শাশুড়ী বিরুদ্ধে ছকিনার চাচাতো ভাই আঃ রহমান বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। তবে ঘটনার রহস্য এখনো উদঘাটন হয়নি এবং পুলিশ কাউকেই গ্রেপ্তার করতে পারেনি।
মামলার বাদী আঃ রহমান পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, যদি পুলিশ ছকিনার ননদ ও তার শ্বশুড় ও তার শাশুড়ীকে ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করে তাহলে মূল ঘটনা বের করা সহজ হবে। কিন্তু আজ পর্যন্ত কোন তদন্তই করেনি।
এ বিষয়ে হাতীবান্ধা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহমুদুন-নবী বলেন, তদন্ত চলছে। তদন্তের পর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এলাকায় স্বামী ও নয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে গত ২২ সেপ্টেম্বর রাতে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই এলাকার আ. হামিদের ছেলে অলি মিয়া (৩০) পূর্বে চারটি বিয়ে করেছিলেন। প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার পর তিনি একে একে আরও তিনটি বিয়ে করেন। তবে মায়ের নির্যাতনের কারণে পূর্বের স্ত্রীদের কেউই সংসার টিকিয়ে রাখতে পারেননি।
পরে অলি মিয়া একই ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত সোবহানের মেয়ে ছকিনার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন এবং পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেন। কিন্তু ছকিনাও শ্বাশুড়ির অত্যাচার থেকে রেহাই পাননি।
পারিবারিক সূত্র জানায়, অলির মা ছেলেকে চাপ দিতে থাকেন ছকিনাকে ডিভোর্স দিতে। কিন্তু অলি রাজি না হওয়ায় ছকিনার ওপর নির্যাতন আরও বেড়ে যায়। তবুও তিনি সব সহ্য করে স্বামীর সংসার করছিলেন।
ঘটনার দিন (২২ সেপ্টেম্বর) শ্বশুর, শ্বাশুড়ি ও ননদের সঙ্গে ঝগড়ার পর রাতে অলি মিয়া ও ছকিনার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
এলাকাবাসী জানায়, মরদেহের অবস্থা দেখে তাদের সন্দেহ হয় এটি আত্মহত্যা নয়। অলির ছোট ভাইসহ প্রতিবেশীরা পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন, অলির মাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে। তবে পুলিশ তাকে আটক করেনি।
ছকিনার পরিবার ও ওলির প্রথম স্ত্রীর মামা জানান, ছকিনাকে হত্যা করা হয়েছে, আর স্ত্রীর লাশ দেখে অলি মিয়া আত্মহত্যা করেছেন। পরে অলির পরিবার ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসেবে সাজানোর চেষ্টা করেছে বলেও তাদের অভিযোগ।
এ ঘটনার পরদিন (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে হাতীবান্ধা থানায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে শ্বশুর ও শাশুড়ী বিরুদ্ধে ছকিনার চাচাতো ভাই আঃ রহমান বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। তবে ঘটনার রহস্য এখনো উদঘাটন হয়নি এবং পুলিশ কাউকেই গ্রেপ্তার করতে পারেনি।
মামলার বাদী আঃ রহমান পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, যদি পুলিশ ছকিনার ননদ ও তার শ্বশুড় ও তার শাশুড়ীকে ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করে তাহলে মূল ঘটনা বের করা সহজ হবে। কিন্তু আজ পর্যন্ত কোন তদন্তই করেনি।
এ বিষয়ে হাতীবান্ধা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহমুদুন-নবী বলেন, তদন্ত চলছে। তদন্তের পর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন:








