ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে বাল্যবন্ধুকে কুপিয়ে ও জবাই করে হত্যা করেছে খাইরুল আমিন নামে এক যুবক।
বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক দুইটায় উপজেলার বিটঘর ইউনিয়নের মহেশপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
নবীনগর থানার ওসি শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের শ্বাসরুদ্ধ অভিযানে দুই ঘণ্টার মধ্যেই ঘাতককে গ্রেপ্তার করা হয়।
নিহত যুবকের নাম উমর হাসান। তিনি মহেশপুর গ্রামের মুরশিদ মিয়ার বাড়ির জাকির হোসেনের ছেলে।
গ্রেপ্তারকৃত ঘাতক খাইরুল আমিন একই গ্রামের পশ্চিম পাড়ার চাঁন মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উমর ও খাইরুল শৈশব থেকেই ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন। সম্প্রতি ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে তাদের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন দেখা দেয়।
এর জের ধরে বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক দুইটার দিকে খাইরুল ঘরের সিঁদ কেটে উমরের ঘরে প্রবেশ করে। প্রথমে ধারালো দা দিয়ে উমরের ঘাড়ে ও হাতে উপর্যুপরি কোপ দেয়। এরপর তাকে জবাই করে মৃত্যু নিশ্চিত করে পালানোর চেষ্টা করে।
এ সময় নিহতের মা রাহেলা বেগম শব্দ শুনে ছেলের ঘরে প্রবেশ করলে খাইরুল তাকে কোপ মেরে আহত করে পালিয়ে যায়।
খবর পেয়ে নবীনগর থানার ওসি শাহিনুর ইসলাম ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ সদস্যদের সাথে নিয়ে অভিযান পরিচালনা করেন।
তিনি বলেন, ‘পূর্ব শত্রুতার জের ধরে খাইরুল প্রথমে উমরকে কুপিয়ে ও পরে জবাই করে হত্যা করে। খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক অভিযান শুরু করি। মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যেই ঘাতককে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয় এবং হত্যায় ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করা হয়।
নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আরও পড়ুন:








