বুধবার

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ৬ ফাল্গুন, ১৪৩২

চাকসু নির্বাচনে সাঈদ জিএস নির্বাচিত হওয়ায় কিশোরগঞ্জে মিষ্টি বিতরণ

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৬ অক্টোবর, ২০২৫ ১৪:২৫

আপডেট: ১৬ অক্টোবর, ২০২৫ ১৬:৩৫

শেয়ার

চাকসু নির্বাচনে সাঈদ জিএস নির্বাচিত হওয়ায় কিশোরগঞ্জে মিষ্টি বিতরণ
ছবি: বাংলা এডিশন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে সাঈদ বিন হাবিব নির্বাচিত হওয়ায় কিশোরগঞ্জে মিষ্টি বিতরণ করে আনন্দ উদযাপন করা হয়েছে। তার এই বিজয়ে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয় কিশোরগঞ্জের হয়বতনগর এ. ইউ. কামিল মাদ্রাসায় যেখানে তিনি মাধ্যমিক (দাখিল) ও উচ্চ মাধ্যমিক (আলিম) পড়াশোনা শেষ করেছেন।

বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির কিশোরগঞ্জ জেলা শাখা। এ সময় শিক্ষকেরা বলেন, সাঈদের এই অর্জন শুধু তার নিজের নয়, পুরো কিশোরগঞ্জের গর্ব।

জানা গেছে, সাঈদ বিন হাবিব হয়বতনগর এ. ইউ. কামিল মাদ্রাসা থেকে ২০১৭ সালে এসএসসি (দাখিল) ও ২০১৯ সালে এইচএসসি (আলিম) পাস করেন। পরবর্তীতে তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগে (২০১৯-২০ সেশন) ভর্তি হন। বর্তমানে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ছাত্রশিবিরের সাহিত্য সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। চলতি বছরে ইতিহাস বিভাগ থেকে ৩.৬৮ সিজিপিএ নিয়ে স্নাতক শেষ করেছেন তিনি।

গতকাল বুধবার (১৫ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত চাকসু নির্বাচনে ছাত্রশিবির প্যানেল থেকে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সাঈদ বিন হাবিব ৭ হাজার ২৯৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল প্যানেলের শাফায়াত পেয়েছেন ২ হাজার ৪৩৩ ভোট।

মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আজিজুল হক বলেন, সাঈদ বিন হাবিব আমাদের প্রতিষ্ঠানের গর্ব। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি মেধাবী, বিনয়ী এবং নেতৃত্বগুণে উজ্জ্বল ছিলেন। তার এই অর্জন আমাদের সবার জন্য অনুপ্রেরণা।

ইসলামী ছাত্রশিবির কিশোরগঞ্জ জেলা সভাপতি হাসান আল মামুন বলেন, সাঈদ বিন হাবিব কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক জনশক্তি। তার এই সাফল্যে আমরা আনন্দিত ও গর্বিত। আমরা চাই, কিশোরগঞ্জের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্রদের অধিকার আদায়ের প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ছাত্র সংসদ নির্বাচন নিয়মিতভাবে অনুষ্ঠিত হোক।

মাদ্রাসার শিক্ষার্থী হাবিবউল্লাহ বলেন, আমাদের মাদ্রাসার শিক্ষার্থী সাঈদ চাকসুর মতো বড় প্ল্যাটফর্মে জিএস নির্বাচিত হওয়ায় আমরা গর্বিত। এটি প্রমাণ করে, মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরাও এখন জাতীয় পর্যায়ে নেতৃত্ব দিচ্ছে।

সহপাঠী নুরুল আমিন বলেন, সাঈদ ভাই পড়াশোনায় মনোযোগী ছিলেন, আবার দায়িত্বশীল ও অনুপ্রেরণাদায়কও ছিলেন। তার এই সাফল্যে আমরা সবাই আনন্দিত।

মাদ্রাসার শিক্ষক তাজুল ইসলাম জানান, সাঈদের সাফল্যে পুরো মাদ্রাসা পরিবার আনন্দিত। আমরা বিশ্বাস করি, ভবিষ্যতেও সে আরও বড় অর্জন নিয়ে আসবে।



banner close
banner close