বগুড়ার ধুনট উপজেলার ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়নে যমুনা নদীর ভয়াবহ ভাঙনে শহড়াবাড়ি থেকে বানিয়াজান পর্যন্ত এক কিলোমিটার এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। গত এক সপ্তাহে হারিয়ে গেছে শতাধিক বিঘা ফসলি জমি, নয়টি দোকান, ও বহু ঘরবাড়ি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে যমুনা নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন চলায় নদীর স্বাভাবিক স্রোতপথ পরিবর্তিত হয়ে বসতিতে ধাক্কা দিচ্ছে। প্রশাসনের নাকের ডগায় এসব চললেও কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।
ভাঙনের ফলে বহু পরিবার ঘরহারা হয়ে স্কুল, রাস্তা কিংবা আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে। স্থানীয় কৃষক ও ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন, একদিনের ব্যবধানে সব হারিয়ে পথে বসেছেন তারা।
২০০১ সালে নির্মিত দুটি স্পার বর্তমানে কার্যকারিতা হারিয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেললেও ততক্ষণে বহু ক্ষতি হয়ে গেছে।
যমুনার ভাঙন কেবল জমি-ঘর নয়, গ্রাস করছে মানুষের আশা, স্বপ্ন ও ভবিষ্যৎ। এ অবস্থায় স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ এবং অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধের দাবি জানাচ্ছে এলাকাবাসী।
আরও পড়ুন:








