শুক্রবার

২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ৭ ফাল্গুন, ১৪৩২

সর্বশেষ
টাঙ্গাইলে আ.লীগ কার্যালয়ে ব্যানার টানিয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, ভিডিও ভাইরাল রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে ফেরার পথে দুর্ঘটনার কবলে ওজিলের গাড়িবহর শুধুমাত্র দলীয় পরিচয়ের কারণে কেউ যেন জুলুমের শিকার না হয়: ডা. শফিকুর রহমান সিরাজগঞ্জের চরাঞ্চলে চিকিৎসা সেবা বিপর্যস্ত: প্রসূতি ও নবজাতকের জীবন ঝুঁকিতে বিধ্বস্ত রাষ্ট্রব্যবস্থা পুনর্গঠনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি জরুরি: মির্জা ফখরুল দেশপ্রেমিক সাংবাদিকদের সাময়িক বরখাস্তের ঘটনায় মঞ্চ ২৪ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ নির্বাচনে বিএনপি, ভারত ও আ. লীগের যোগসাজশের আশঙ্কা নাহিদ ইসলামের ভারতে তেলেঙ্গানার জালালপুরে মসজিদে ভাঙচুর, কোরআন অবমাননার অভিযোগ

সিরাজগঞ্জ কালেক্টরেটের তিন কর্মচারীর বিরুদ্ধে দখল ও লুটপাটের অভিযোগ

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৪ অক্টোবর, ২০২৫ ২০:০৪

শেয়ার

সিরাজগঞ্জ কালেক্টরেটের তিন কর্মচারীর বিরুদ্ধে দখল ও লুটপাটের অভিযোগ
ছবি: বাংলা এডিশন

সিরাজগঞ্জ কালেক্টরেট অফিসের তিনজন কর্মচারীর বিরুদ্ধে সরকারি নিলামের মালামাল লুটপাট ও জেলা প্রশাসনের জায়গা দখল করে মার্কেট নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগ জমা দেয়া হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের নলকা-সিরাজগঞ্জ-সয়দাবাদ আঞ্চলিক মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় অধিগ্রহণকৃত স্থাপনাগুলো কালেক্টরেট তৃতীয় শ্রেণি কর্মচারী সমিতির নামে নিলামে বিক্রি করা হয়। পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর মো. তৌফিকুর রহমান ও মো. নাফিউর রহমান যথাক্রমে লট নং ১৯ ও ২০-এর ক্রেতা হন।

অভিযোগকারীদের দাবি, কালেক্টরেটের কর্মচারী আব্দুল মোমিন (অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক), আব্দুল মান্নান সিদ্দিকী (সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা, তথ্য ও অভিযোগ শাখা) ও নুরুল আমীন (সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা, ভিপি সেল শাখা) প্রভাব খাটিয়ে ওই নিলামকৃত স্থাপনাগুলো দখল করেন। পরে স্থানীয় এক ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করে কয়েক লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, একই কর্মচারীরা পরবর্তীতে সড়ক ও জনপথ বিভাগের আরেকটি নিলামে প্রায় ২ লাখ ৮৮ হাজার টাকার স্থাপনা মাত্র ৪০ হাজার টাকার জামানত জমা দিয়ে নিজেদের নামে বরাদ্দ নেন। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে অর্থ পরিশোধ না করে জামানতের টাকা উত্তোলন করেন। পরে উক্ত জায়গায় নতুন করে ১২টি দোকানঘর নির্মাণ করে ভাড়া দিয়ে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ লাখ টাকা আয় করেন।

এ ছাড়া একই রেজিস্ট্রেশন নম্বর (নং-৩৬১) ব্যবহার করে ভিন্ন ভিন্ন নামে একাধিক সমিতি পরিচালনার অভিযোগও তাদের বিরুদ্ধে আনা হয়েছে।

এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহা. নজরুল ইসলাম বলেন, জেলা প্রশাসনের জায়গায় মার্কেট নির্মাণের কোনো সুযোগ নেই। তবে সমিতির নামে মার্কেট নির্মাণ করে কাউকে বাণিজ্যিকভাবে বরাদ্দ দেয়া হয়ে থাকলে বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



banner close
banner close