বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার সেই শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং চলতি মাস থেকে বেতন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বান্দরবান জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোফাজ্জল হোসেন খান ও আলীকদম উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ কামাল হোসেন।
বান্দরবান জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোফাজ্জল হোসেন খান বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে বলা হয়েছে।
আলীকদম উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ কামাল হোসেন জানান, প্রাথমিকভাবে ওই শিক্ষকের বেতন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তাছাড়াও তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নির্দেশ দিয়েছেন।
প্রসঙ্গত, "স্কুল না করেও বেতন নিচ্ছেন মাসের পর মাস, শিক্ষক ব্যস্ত অবৈধ বালু ব্যবসা ও রাজনীতিতে" শিরোনামে ৮ সেপ্টেম্বর বাংলা এডিশনে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। পরে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হলে এ ব্যবস্থা নেন।
ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ:
বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার মেনক্য মেনকক পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আরিফুল্লাহ চৌধুরীর বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যালয়ে অনুপস্থিতি, বেতন উত্তোলন, অবৈধ বালু ব্যবসা এবং জামাত-শিবিরের নাম ব্যবহার করে স্থানীয়ভাবে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।
স্থানীয়দের অভিযোগ, শিক্ষক আরিফুল্লাহ মাসে একবার বা দুইবার স্কুলে এসে শুধুমাত্র হাজিরা ও বেতন খাতায় স্বাক্ষর করে চলে যান। বাকি সময় তিনি অবস্থান করেন চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায় নিজ এলাকায়, যেখানে তিনি অবৈধ বালুর ব্যবসা ও রাজনৈতিক তৎপরতায় জড়িত বলে জানা গেছে।
আরও পড়ুন:








