শুক্রবার

২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ৮ ফাল্গুন, ১৪৩২

হরিরামপুরে নিম্নমানের ইট দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করায় কাজ বন্ধ করলেন ইউএনও

হরিরামপুর,মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৮ জুলাই, ২০২৫ ১৫:২৭

শেয়ার

হরিরামপুরে নিম্নমানের ইট দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করায় কাজ বন্ধ করলেন ইউএনও
ছবি: বাংলা এডিশন

মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে বাল্লা ইউনিয়নের মাচাইন এলাকায় নিম্নমানের ইট দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করায় কাজ বন্ধ করে দিলেন ইউএনও। নিম্নমানের ইট দিয়ে রাস্তার কাজ করায় কারণ দর্শানোর নোটিশও প্রদান করেন প্যানেল চেয়ারম্যান শেখ শামীমকে।

জানা যায়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের পরিষদের উন্নয়ন সহায়তা (দ্বিতীয় কিস্তি) বিবিজি প্রকল্পের আওতায় গত ২৭ মে উপজেলার বাল্লা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের মাচাইন দক্ষিণপাড়া আবুলের বাড়ি হতে মজুর উদ্দিনের বাড়ি পর্যন্ত ইট সোলিং রাস্তার কাজ অনুমোদন দেওয়া হয়। এই রাস্তার কাজে নিম্নমানের ইট ব্যবহার করা হয়। সম্প্রতি ওই এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযানে গেলে নিম্নমানের ইট দিয়ে কাজ করার বিষয়টি নজরে আসে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কোহিনুর ডাক্তারের। ওই সময় তিনি প্যানেল চেয়ারম্যানকে ফোন দিয়ে রাস্তার কাজ বন্ধ করে দেন। পরবর্তীতে নিম্নমানের ইট দিয়ে রাস্তার কাজ করার জন্য কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করেন ইউনিয়নের পেনেল চেয়ারম্যানকে।

২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শাজাহান আলী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, "দশ বছরের মধ্যে এই প্রথম একটা কাজে ভুলবশত নিম্নমানের ইট চলে আসছে। পরবর্তীতে সেই ইট ফেরত দিয়ে আবার নতুন ইট আনা হয়েছে। নতুন ইটের ছবি ইউএনও মহোদয়কে পাঠানো হয়েছে।"

বিষয়ে বাল্লা ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান শেখ শামীম জানান, "ওই রাস্তায় নিম্নমানের ইট দিয়ে কাজ করার বিষয়ে একটা অভিযোগ ইউএনও মহোদয়ের কাছে যায়। পরে উনি এসে দেখে রাস্তার কাজ বন্ধ করেন। পরবর্তীতে আগের আনা ইট পরিবর্তন করে নতুন ইট আনা হয়েছে৷ বৃষ্টি গেলেই কাজ শুরু হবে।"

বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কোহিনুর আক্তার জানান, "আমি ওই এলাকায় একটা অভিযান যাই। অভিযান থেকে ফেরার পথে ওই রাস্তার ইটগুলো আমার নজরে আসে। আমি সাথে সাথে প্যানেল চেয়ারম্যানকে ফোন দেই এবং রাস্তার কাজ বন্ধ রাখতে বলি। নিম্নমানের ইট ব্যবহারের জন্য প্যানেল চেয়ারম্যানকে কারণ দর্শানোরও নোটিশ প্রদান করি। পরবর্তীতে সেই ইট পরিবর্তন করে আবার নতুন ইট আনা হয়েছে। নিম্নমানের ইট ব্যবহার করে কাজ করার কোনো সুযোগ নেই।"



আরও পড়ুন:

banner close
banner close