দেশব্যাপী চাঞ্চল্য সৃষ্টি করা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নের ৯ বছর বয়সী শিশু মাইমুনা আক্তার ময়না হত্যাকাণ্ডে রহস্য উদঘাটনে সক্রিয় হয়ে উঠেছে পুলিশ। নিখোঁজের একদিন পর রবিবার (৬ জুলাই) সকালে বাড়ির পাশের একটি মসজিদের দোতলা থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় তার মরদেহ।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, হত্যার আগে মেয়েটি যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে। তবে পুলিশ জানিয়েছে, হত্যার বিষয়টি নিশ্চিত হলেও ধর্ষণ হয়েছে কিনা, তা নিশ্চিত হওয়া যাবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর।
পাশবিক এ ঘটনায় ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছে এলাকাবাসী। বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছে ময়নাদের পরিবার। ঘটনার পর থেকেই সরাইল থানা পুলিশ এবং পিবিআই-এর একটি দল তদন্তে নেমেছে এবং দোষীদের শনাক্তে বিভিন্ন কৌশলে অভিযান পরিচালনা করছে।
এদিকে, শিশু ময়নাকে হত্যার নিন্দা জানিয়ে তার পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা জজকোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী ও সরাইল উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নুরুজ্জামান লস্কর তপু। তিনি নিজের ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন,
“শিশু ময়নাকে পাষবিক নির্যাতনের মাধ্যমে হত্যা করা হয়েছে। সরাইল থানা পুলিশ দ্রুত হত্যাকারীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনুক—এই দাবি জানাচ্ছি। পাশাপাশি ময়নার পরিবারকে আমি বিনামূল্যে সব ধরনের আইনি সহায়তা দেব, ইনশাআল্লাহ।”
নিহত মাইমুনা আক্তার ময়না শাহবাজপুর ইউনিয়নের চান্দু পাড়ার প্রবাসী আব্দুর রাজ্জাকের মেয়ে। সে লতিফ মোস্তারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী ছিল এবং পাশাপাশি একটি মাদরাসায় নূরানি বিভাগেও পড়াশোনা করত।
পুলিশ বলছে, এ ঘটনায় ইতোমধ্যে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। খুব শিগগিরই দোষীরা গ্রেফতার হবে বলে আশ্বাস দিয়েছে তারা।
আরও পড়ুন:








