বিগত বছরগুলোতে বছরের প্রথম দিন পহেলা জানুয়ারী নতুন বই পেলেও এবছরই কেবল নতুন বই প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হয়েছে বরিশালের কোমলমতি শিক্ষার্থিরা।
চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সংখ্যক বই সরবরাহ করতে না পারায় সকল শিক্ষার্থিদের মাঝে বই সরবরাহ করা সম্ভব হয়নি।
তবে বরিশালের সকল প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও ৬ষ্ঠ শ্রেনীর শিক্ষার্থিদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে নতুন বই। আর বছরের প্রথম দিন হাতে নতুন বই পেয়ে উচ্ছাস প্রকাশ করেছে শিক্ষার্থি ও অভিভাবকরা। তবে বই না পেয়ে হতাশা আর ক্ষোভ নিয়ে বাড়ী ফিরেছে অন্যান্য শিক্ষার্থীরা।
বরিশালে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ১২ লাখ ২৫ হাজার ১৯০ পিচ বইয়ের চাহিদার বিরপীতে বছরের প্রথম দিন ৪ লাখ ৬৯ হাজার ৬৮০ পিচ বই সরবরাহ করা হয়েছে। এখনো ঘাটতি রয়েছে ৭ লাখ ৫৫ হাজার ৫১০ পিচ বই।
মঙ্গলবার ১লা জানুয়ারী সকাল ১০ টা থেকে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেনীর শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেওয়া হয়। বছরের প্রথম দিন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থিদের হাতে বাংলা, অংক ও ইংরেজী বই তুলে দেওয়া হয়েছে। তবে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ ও পঞ্চশ শ্রেনীর শিক্ষার্থিরা বছরের প্রথম দিন নতুন বই হাতে না পেয়ে অনেকদা হতাশা প্রকাশ করেছে।
তবে আগামী ২০ জানুয়ারীর মধ্যেই তাদের হাতে নতুন বই তুলে দেওয়ার আশ্বাস দেন সংশ্লিষ্ঠ বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।
আরও পড়ুন:








