রবিবার

৮ নভেম্বর, ২০২৬ ২৪ কার্তিক, ১৪৩৩

এক সপ্তাহে নয় হাজার ৫৮৯ অবৈধ অভিবাসীকে ফেরত পাঠাল সৌদি

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ৮ নভেম্বর, ২০২৬ ১২:৫০

আপডেট: ৮ নভেম্বর, ২০২৬ ১৩:০৫

শেয়ার

এক সপ্তাহে নয় হাজার ৫৮৯ অবৈধ অভিবাসীকে ফেরত পাঠাল সৌদি
ছবি সংগৃহীত

সৌদি আরবজুড়ে বিশেষ অভিযান চালিয়ে এক সপ্তাহে আবাসন, শ্রম ও সীমান্ত নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনের ১১ হাজার ৫৮৭টি ঘটনা শনাক্ত করেছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এসব ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি ৯ হাজার ৫৮৯ জন অবৈধ অভিবাসীকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

গত ২৯ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত পরিচালিত অভিযানে শনাক্ত হওয়া আইন লঙ্ঘনের ঘটনাগুলোর মধ্যে আবাসন আইনসংক্রান্ত ৬ হাজার ৪৩টি, সীমান্ত নিরাপত্তা আইনসংক্রান্ত ৩ হাজার ১৯১টি এবং শ্রম আইন লঙ্ঘনের ২ হাজার ৩৫৩টি ঘটনা রয়েছে।

অবৈধ প্রবেশের চেষ্টায় আটক ১ হাজার ৬৭৮ জন

অভিযান চলাকালে অবৈধভাবে সৌদি আরবে প্রবেশের চেষ্টার অভিযোগে ১ হাজার ৬৭৮ জনকে আটক করেছে সীমান্তরক্ষী বাহিনী। এ ছাড়া অবৈধভাবে দেশত্যাগের চেষ্টার অভিযোগে আটক করা হয়েছে আরও ১৮ জনকে।

অন্যদিকে, আবাসন, শ্রম ও সীমান্ত নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনকারীদের পরিবহন, আশ্রয় কিংবা কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার অভিযোগে ২৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

৪১ হাজারের বেশি প্রবাসীর বিরুদ্ধে চলছে আইনি প্রক্রিয়া

সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে মোট ৪১ হাজার ১০৬ জন প্রবাসীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। তাঁদের মধ্যে পুরুষ ৩৮ হাজার ৮১৩ জন এবং নারী ২ হাজার ২৯৩ জন।

আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ২৩ হাজার ১৯৩ জনকে প্রয়োজনীয় ভ্রমণ নথি সংগ্রহের জন্য নিজ নিজ দেশের দূতাবাস বা কনস্যুলেটে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। আরও ৯ হাজার ১৩৯ জনকে নিজ উদ্যোগে দেশে ফেরার ব্যবস্থা করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ৯ হাজার ৫৮৯ জনকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

সহায়তাকারীদের সর্বোচ্চ ১৫ বছরের কারাদণ্ডের বিধান

সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সতর্ক করে জানিয়েছে, অবৈধভাবে কাউকে দেশটিতে প্রবেশে সহায়তা করা, রাজ্যের অভ্যন্তরে পরিবহন করা কিংবা আশ্রয়, সহযোগিতা বা অন্য কোনো ধরনের সুবিধা দিলে সর্বোচ্চ ১৫ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ সৌদি রিয়াল পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।

এ ধরনের অপরাধে ব্যবহৃত যানবাহন এবং অপরাধীদের আশ্রয় দেওয়ার কাজে ব্যবহৃত সম্পত্তিও বাজেয়াপ্ত করা হতে পারে।

মন্ত্রণালয় এসব অপরাধকে গ্রেপ্তারযোগ্য গুরুতর অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করেছে। একই সঙ্গে আইন লঙ্ঘনের বিষয়ে তথ্য দিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সহযোগিতা করতে সাধারণ জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

সূত্র: গালফ নিউজ