যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের পর প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথকে দায়িত্ব থেকে সরানোর বিষয়ে ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টাদের সঙ্গে আলোচনা করছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হেগসেথকে পদে রাখা উচিত কি না, তা নিয়ে উপদেষ্টাদের মতামতও জানতে চেয়েছেন তিনি।
ইরান যুদ্ধ পরিচালনা নিয়ে উঠতে পারে প্রশ্ন
বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, মঙ্গলবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের পর হেগসেথের ভবিষ্যৎ নিয়ে এসব আলোচনা শুরু হয়।
হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা মনে করছেন, নির্বাচনে পরাজয়ের দায় ইরান যুদ্ধ পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের ওপরও পড়তে পারে। এ তালিকায় রয়েছেন মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার এবং জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন।
ইরান যুদ্ধ পরিচালনায় তাঁদের দেওয়া পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে বলে ধারণা করছেন হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা।
হেগসেথের বিকল্প হিসেবে আলোচনায় ডিস্যান্টিস
প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের সম্ভাব্য স্থলাভিষিক্ত হিসেবে ফ্লোরিডার গভর্নর রন ডিস্যান্টিসের নামও আলোচনায় এসেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর ধারণা, গভর্নর হিসেবে ডিস্যান্টিসের মেয়াদ আগামী ৫ জানুয়ারি শেষ হওয়ার আগে কংগ্রেসের সিনেটে তাঁর নিয়োগ অনুমোদন করানো সম্ভব হতে পারে। এ ক্ষেত্রে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগের সময়টিকে কাজে লাগানোর বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।
হেগসেথকে সরানোর পরিকল্পনা অস্বীকার ট্রাম্পের
তবে বুধবার হেগসেথকে সরানোর পরিকল্পনার কথা অস্বীকার করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সাংবাদিকদের তিনি জানান, হেগসেথ খুব ভালো কাজ করছেন।
এদিকে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র আনা কেলিও জানিয়েছেন, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের ওপর প্রেসিডেন্টের পূর্ণ আস্থা রয়েছে।
আরও পড়ুন:







