রবিবার

১ নভেম্বর, ২০২৬ ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩

ভারতে গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগে মুসলিম ব্যবসায়ীকে নির্যাতন

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১ নভেম্বর, ২০২৬ ১০:০৩

শেয়ার

ভারতে গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগে মুসলিম ব্যবসায়ীকে নির্যাতন
ছবি সংগৃহীত

ভারতের আসামে গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগে শওকত আলী নামে ৬৮ বছর বয়সী এক মুসলিম ব্যবসায়ীকে মারধর ও হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে। একপর্যায়ে তাকে জোর করে শূকরের মাংস খাওয়ানোরও চেষ্টা করে উত্তেজিত জনতা।

সম্প্রতি ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এ নিয়ে ব্যাপক নিন্দা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে। ঘটনাটি ২০১৯ সালে আসামের বিশ্বনাথ চারিয়ালিতে ঘটে। শওকত আলী ওই এলাকায় প্রায় ৩৫ বছর ধরে মাংসের ব্যবসা করছেন।

ঘিরে ধরে মারধর, শূকরের মাংস খাওয়ানোর চেষ্টা

স্থানীয়দের অভিযোগ, সাপ্তাহিক হাটে শওকত আলী গরুর মাংস রান্না করে বিক্রি করছিলেন। এ অভিযোগে একদল লোক তাকে ঘিরে ধরে মারধর করে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, কাদা-পানিতে ভরা রাস্তায় শওকত আলীকে ফেলে রেখেছে একদল লোক। এ সময় তার কাছে ব্যবসার লাইসেন্স ও নাগরিকপঞ্জির নথি দেখতে চাওয়া হয়। তিনি বাংলাদেশি কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন করা হয়। একপর্যায়ে তাকে শাস্তি দেওয়ার কথা বলে প্যাকেটজাত শূকরের মাংস খাওয়ানোর চেষ্টা করা হয়।

হামলায় গুরুতর আহত শওকত আলীকে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। বাজার পরিচালনার দায়িত্বে থাকা করণ থাপা নামের আরেক ব্যক্তিও ওই জনতার হেনস্তার শিকার হন।

পরিবারের অভিযোগ, তদন্তে পুলিশ

এ ঘটনায় শওকত আলীর পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া যায়নি।

এদিকে আসামের গবাদিপশু সুরক্ষা আইন, ১৯৫০ অনুযায়ী, গবাদিপশু জবাইয়ের আগে স্থানীয় পশুচিকিৎসকের লিখিত অনুমতি প্রয়োজন। কোন পশু জবাইয়ের উপযুক্ত, তা নির্ধারণের দায়িত্বও সংশ্লিষ্ট পশুচিকিৎসকের।

সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন