ভারতের দিল্লিতে বিক্ষোভে যোগ দিতে পৌঁছানোর পর ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে, নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে আটক করেছে পুলিশ। এর আগে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠীকেও আটক করা হয়। রাত থেকে সকাল পর্যন্ত ৫০০ জনের বেশি মানুষকে আটকের কথা জানা গেছে।
মুম্বাই থেকে দিল্লিগামী বিমানে ছিলেন দীপকে, সৌরভ ও আশুতোষ। স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ১৯ মিনিটে বিমানটি দিল্লি বিমানবন্দরে অবতরণের পর বিমানের ভেতর থেকেই তাদের আটক করা হয়।
বিমানে বসেই ইনস্টাগ্রামে সরাসরি সম্প্রচার
দলটির নেতারা বিমানে বসে ইনস্টাগ্রামে সরাসরি সম্প্রচার করছিলেন। সম্প্রচারে পুলিশের সঙ্গে তাদের কথা-কাটাকাটি করতে দেখা যায়। অভিজিৎ দীপকে জানান, গ্রেপ্তার হবেন জেনেই তিনি দিল্লিতে এসেছেন। বিমানবন্দরে আগে থেকেই পুলিশ অপেক্ষা করছিল। সেখানে অনেক নারী পুলিশকর্মীও ছিলেন।
এর আগে যন্তর মন্তরের উদ্দেশে রওনা দেওয়ার আগে গুরুগ্রামের বাড়ি থেকে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠীকে আটক করে পুলিশ। এ ছাড়া সিজেপির আরও কয়েকজন নেতাকেও আটক করা হয়েছে।
সিজেপি নেতা সৌরভ দাস জানান, তাদের আইনজীবী রত্না সিংহকেও সকালে আটক করে পুলিশ। আইনজীবীদের একটি প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন তিনি।
তিন নেতার মুক্তি দাবি সিজেপির
দিল্লিতে অবতরণের পর অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে আটকের ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি।
এক বিবৃতিতে দলটি অভিযোগ করেছে, পূর্বপরিকল্পিত পদক্ষেপের অংশ হিসেবে দিল্লি পুলিশ তাদের আটক করেছে, যাতে তারা শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের নির্ধারিত স্থানে পৌঁছাতে না পারেন। সিজেপি এই আটকের ঘটনাকে নেতাদের চলাফেরার স্বাধীনতার লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছে এবং তাদের অবিলম্বে ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়েছে।
আরও পড়ুন:







