মঙ্গলবার

২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪ আশ্বিন, ১৪৩৩

নিউইয়র্ক টাইমসের নির্বাহী কর্মকর্তাকে গুলি করে হত্যা, শ্বশুর-শাশুড়ি গ্রেপ্তার

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:৩০

শেয়ার

নিউইয়র্ক টাইমসের নির্বাহী কর্মকর্তাকে গুলি করে হত্যা, শ্বশুর-শাশুড়ি গ্রেপ্তার
ছবি সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিউইয়র্ক টাইমসের নির্বাহী কর্মকর্তা জোনাথন ম্যাককিনসেকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার শ্বশুর-শাশুড়ির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় নিহতের ৭৭ বছর বয়সী শ্বশুর শৌইয়ং ঝাং ও শাশুড়ি শিলি চেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

জোনাথন ম্যাককিনসের মৃত্যুর খবর আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে নিউইয়র্ক টাইমস কর্তৃপক্ষ। ৪০ বছর বয়সী ম্যাককিনসে প্রতিষ্ঠানটির ‘ডিরেক্টর অব ইঞ্জিনিয়ারিং ফর গেমস প্লেয়ার এক্সপেরিয়েন্স’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

ডাবলিনে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার

পুলিশ সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, সান ফ্রান্সিসকো থেকে প্রায় ৫৬ কিলোমিটার পূর্বে ডাবলিনের একটি কার পার্কিং লটে একাধিক গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ম্যাককিনসেকে উদ্ধার করা হয়। বিস্তারিত তদন্ত তথ্যে বলা হয়েছে, ডাবলিন স্পোর্টস গ্রাউন্ডসের বাইরে গত বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টার দিকে তাকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দেখা যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা স্থানীয় কেজিও-টিভিকে জানান, তারা হঠাৎ একঝাঁক গুলির শব্দ শুনতে পান। এর পরপরই ম্যাককিনসেকে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে থাকতে দেখেন তারা।

প্রত্যক্ষদর্শী আসাদ রাজভি বলেন, তিনি ওই ব্যক্তিকে হঠাৎ মাটিতে পড়ে যেতে দেখেন। তার মাথা ও বুক রক্তে ভেসে যাচ্ছিল।

আরেক প্রত্যক্ষদর্শীর মেয়ে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানান, তার বাবা অভিযুক্ত বৃদ্ধ দম্পতিকে একসঙ্গে হেঁটে যেতে দেখেছিলেন। গুলি চালানোর পর তারা শান্ত ও স্বাভাবিকভাবে ঘটনাস্থল থেকে হেঁটে চলে যান।

ঘটনাস্থলের কাছ থেকেই গ্রেপ্তার

আরেক প্রত্যক্ষদর্শীর ভাষ্য অনুযায়ী, হামলার পর অভিযুক্ত দম্পতি ঘটনাস্থলের আশপাশেই অবস্থান করছিলেন। ঘটনার কয়েক মিনিটের মধ্যে ওই পথ দিয়ে যাওয়া এক টহলরত পুলিশ কর্মকর্তা তাদের গ্রেপ্তার করেন।

পরে ঘটনাস্থলেই জোনাথন ম্যাককিনসেকে মৃত ঘোষণা করে পুলিশ।

একাধিক অভিযোগে মামলা

হত্যাকাণ্ডের পেছনে কী কারণ বা উদ্দেশ্য ছিল, সে বিষয়ে পুলিশ এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

গ্রেপ্তার শৌইয়ং ঝাং ও শিলি চেনকে বর্তমানে সান্তা রিটা কারাগারে রাখা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে প্রথম মাত্রার হত্যা, গুরুতর ষড়যন্ত্র, চরম অবহেলার সঙ্গে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার এবং শিশুকে বিপদে ফেলার মতো একাধিক গুরুতর ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে।

অভিযুক্ত দম্পতির পক্ষে কোনো আইনজীবী রয়েছেন কি না তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আগামী বুধবার তারা আদালতে এসব অভিযোগের মুখোমুখি হবেন।