গাজায় ড্রোন অভিযান চালানোর সময় আকস্মিক বিস্ফোরণে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) দুই সেনা নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) আইডিএফের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে টাইমস অব ইসরায়েল।
নিহত দুই সেনা হলেন নাদাভ কালি (২৪) ও অফির মোয়ালেম (২৩)। তারা দুজনই আইডিএফের রিজার্ভ ফোর্সে সার্জেন্ট হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
ড্রোন বিধ্বস্ত হয়ে বিস্ফোরণ
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার গাজা উপত্যকায় অভিযান চলাকালে একটি সামরিক পোস্টে বসে ড্রোন পরিচালনা করছিলেন নাদাভ কালি ও অফির মোয়ালেম। এ সময় অজ্ঞাত কারণে একটি ড্রোন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সামরিক পোস্টের ভেতরে পড়ে যায়।
পরে বিধ্বস্ত ড্রোনটির কাছে গেলে সেটিতে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে দুই সেনা গুরুতর আহত হন। তাদের আশকেলনের বারজিলাই মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
‘আতালেফ’ ড্রোন পরিচালনা করছিলেন তারা
আইডিএফের প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী, গাজা উপত্যকার উত্তরাঞ্চলে সেনাবাহিনীর ‘বাফার জোন’ বা সংরক্ষিত এলাকার ভেতরে অবস্থিত একটি সেনাঘাঁটি থেকে ওই দুই সেনা ‘আতালেফ’ নামের ফার্স্ট-পারসন ভিউ (এফপিভি) ড্রোন পরিচালনা করছিলেন। হিব্রু ভাষায় ‘আতালেফ’ শব্দের অর্থ ‘বাদুড়’।
প্রথম ড্রোনটি নির্ধারিত অভিযান সফলভাবে সম্পন্ন করলেও দ্বিতীয় ড্রোনটি উড্ডয়নের সময় অজ্ঞাত কারণে সেনাঘাঁটির ভেতরেই বিধ্বস্ত হয়। কয়েক মিনিট পর বিধ্বস্ত ড্রোনটি তুলে নেওয়ার জন্য নাদাভ কালি ও অফির মোয়ালেম সেটির কাছে গেলে বিস্ফোরণ ঘটে।
ছোট ড্রোনের উড্ডয়ন সাময়িক বন্ধ
দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান করছে আইডিএফ। এর পাশাপাশি বিস্ফোরক বহনে সক্ষম সব ধরনের ছোট ড্রোনের উড্ডয়ন সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে আত্মঘাতী ড্রোন এবং লক্ষ্যবস্তুতে বিস্ফোরক নিক্ষেপকারী ড্রোনও রয়েছে।
আগামী কয়েক দিনের মধ্যে এ বিষয়ে নতুন করে পর্যালোচনা করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
আইডিএফের চিফ অব স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল ইয়াল জামির প্রাণঘাতী এ দুর্ঘটনার তদন্তে একটি বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন।
আরও পড়ুন:







