ইরানের হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে এবিসি নিউজ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত প্রতিবেদনে ছয় মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি মূল্যায়নের ভিত্তিতে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, কুয়েতের তিনটি মার্কিন ঘাঁটি এবং মার্কিন সামরিক সরঞ্জাম থাকা সৌদি আরবের একটি ঘাঁটির ভবন ও বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার দৃশ্য দেখা গেছে। এর মধ্যে কয়েকটি ঘাঁটি খালি করা হয়েছে। সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে ২৭ কোটি ডলার মূল্যের একটি ই-থ্রি সেন্ট্রি নজরদারি বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ছবিও প্রতিবেদনে রয়েছে।
দশকের পর দশক লাগতে পারে পুনর্নির্মাণে
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রবীণ মার্কিন সেনা সদস্যের দাবি, ঘাঁটিগুলো অপূরণীয় ক্ষতির মুখে পড়েছে এবং সেগুলো পুনর্নির্মাণে কয়েক দশক সময় লাগতে পারে। পেন্টাগনের স্বচ্ছতার অভাবের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, প্রতিদিন এসব ঘাঁটিতে ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হচ্ছে।
পেন্টাগন ইনস্পেক্টর জেনারেলের এক প্রতিবেদনে শতাধিক ভবন ও কাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কথা বলা হয়েছে। যুদ্ধের ব্যয় নিয়ে ওয়াচডগটির হিসাবে ৩৩ বিলিয়ন ডলার ধরা হলেও কংগ্রেশনাল বাজেট অফিসের প্রাক্কলন ৩৮ বিলিয়ন ডলার।
নিহত ১৮ মার্কিন সেনা, আহত ৮২৪
মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ১৮ জন মার্কিন সেনা নিহত এবং ৮২৪ জন আহত হয়েছেন। সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলাটি ঘটে যুদ্ধের দ্বিতীয় দিনে কুয়েতের পোর্ট শুআইবায়। ওই হামলায় ছয়জন মার্কিন সেনা নিহত হন।
প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ সেনাদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি স্বীকার করেছেন, ইরানের কিছু অস্ত্র মার্কিন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করে ঢুকে পড়ছে।
তথ্যসূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
আরও পড়ুন:







