ইয়েমেনের কৌশলগত বাব আল-মান্দেব প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিতে পশ্চিম উপকূলে লড়াইয়ে ৭৬ হাজারেরও বেশি সামরিক সদস্যকে মাঠে নামিয়েছে ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারের অনুগত বাহিনী এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
ইয়েমেন সরকার সমর্থিত ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ফোর্সেসের মুখপাত্র মেজর জেনারেল সাদিক দ্বাইদ জানান, লোহিত সাগরের পশ্চিম উপকূলীয় এলাকায় চালানো এই বিশাল সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি মাসখানেক আগেই নেওয়া হয়েছিল।
তিনি অভিযোগ করেন, ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) প্রত্যক্ষ নির্দেশে এবং ইরানি ও লেবানিজ সামরিক বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণে হামলাগুলো পরিচালিত হয়েছে।
সরকারি বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, গত ৯ আগস্ট থেকে ৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ১৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ যুদ্ধক্ষেত্রে হুথিরা অন্তত ১৩০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ১৪৫টি আত্মঘাতী ড্রোন এবং ১৫টি বিস্ফোরকবাহী বোট ব্যবহার করেছে।
এর মধ্যে ইয়েমেনের প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিলের ডেপুটি চেয়ারম্যান এবং ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ফোর্সেসের প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল তারিক সালেহর অবস্থান লক্ষ্য করে ২৩টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ১৮টি ড্রোন হামলা চালানো হয়।
ইয়েমেনে ফের পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের আশঙ্কা
২০১৪ সালে হুথিরা রাজধানী সানা দখল করার পর প্রায় এক দশক ধরে ইয়েমেনে রক্তক্ষয়ী গৃহযুদ্ধ চলে। তবে ২০২২ সালের এপ্রিল থেকে দেশটিতে এক ধরনের যুদ্ধবিরতিপূর্ণ পরিস্থিতি বজায় ছিল।
২০২৩ সালের শেষ দিকে গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজে হুথিদের হামলা এবং সম্প্রতি পশ্চিম উপকূলে বড় ধরনের সংঘাতের কারণে পরিস্থিতি আবারও পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের দিকে মোড় নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
আরও পড়ুন:







