ভারতের মাটি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক আগ্রাসনের তীব্র সমালোচনা করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি বলেছেন, বিগত সামরিক হামলার পর ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা ও রাজনৈতিক চাপ চরম ঝুঁকিপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
তবে এই পরিস্থিতিতেও তেহরান নতুন কোনো যুদ্ধ বা রক্তক্ষয়ী সংঘাতে জড়াতে চায় না বলে জানিয়েছেন পেজেশকিয়ান। যুদ্ধ এড়িয়ে দেশের অভ্যন্তরীণ শক্তি ও অর্থনীতিকে পুনর্গঠন এবং শক্তিশালী করাকে তিনি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছেন।
পেজেশকিয়ান জানিয়েছেন, যেকোনো মূল্যে যুদ্ধ থামানোই তাঁর একমাত্র লক্ষ্য নয়। কোনো দুর্বল অবস্থান থেকে কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ চাপের মুখে নতি স্বীকার করে তেহরান আলোচনার টেবিলে বসবে না বলেও তিনি স্পষ্ট করেছেন।
চলতি বছরের শুরুতে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ও ইসরায়েলি বিমান হামলার জেরে পুরো অঞ্চলে যুদ্ধাবস্থা তৈরি হলে ইরান পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় এবং কৌশলগত হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়।
অস্থায়ী চুক্তির পর পুনরায় যুদ্ধ ও অবরোধ
মাঝে একটি অস্থায়ী চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও দুই পক্ষ নিজ নিজ দাবিতে অনড় থাকায় গত জুলাই থেকে পুনরায় যুদ্ধ ও মার্কিন নৌ-অবরোধ শুরু হয়। এ পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ ও চাপ মোকাবিলায় দেশের সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলার নতুন কৌশল নিয়েছেন পেজেশকিয়ান।
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে আসার আহ্বান
দেশের সংকটময় পরিস্থিতি সামাল দিতে ইরানের বিশ্ববিদ্যালয় ও তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে আসার জোরালো তাগিদ দিয়েছেন ইরানি প্রেসিডেন্ট।
রাজনৈতিক মতপার্থক্য ভুলে সংকট উত্তরণে শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ প্রকাশ না করে বুদ্ধিমত্তা ও সহযোগিতার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
আরও পড়ুন:







