মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সামরিক বিকল্প দেওয়ার লক্ষ্যে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনা মোতায়েনের সময়সীমা ২০২৭ সাল পর্যন্ত বাড়ানো হচ্ছে। মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এ বিষয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনের বরাতে জানিয়েছে এনডিটিভি।
মধ্যপ্রাচ্যে বাড়ছে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি
প্রতিবেদনে বলা হয়, শুরুতে স্বল্পমেয়াদি ও দ্রুত সমাপ্তির লক্ষ্য নিয়ে অভিযান শুরু হলেও বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৫০ হাজার সেনা, ১৯টি যুদ্ধজাহাজ, ফাইটার স্কোয়াড্রন, বিমান প্রতিরক্ষা ইউনিট ও প্যারাট্রুপার মোতায়েন রয়েছে।
সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর সদস্যদের মোতায়েনের মেয়াদ ৯ মাস থেকে বাড়িয়ে ১২ মাস এবং ক্ষেত্রবিশেষে এক বছরেরও বেশি করা হয়েছে। এতে মার্কিন সেনা ও তাদের পরিবারের ওপর ব্যাপক চাপ তৈরি হচ্ছে।
সামরিক চাপের পাশাপাশি অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা
ট্রাম্প প্রশাসন সামরিক অভিযানের পাশাপাশি অর্থনৈতিক চাপ বাড়িয়ে তেহরানকে পরমাণু কর্মসূচি থেকে সরে এসে আলোচনার টেবিলে আনতে চাইছে।
ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করেছেন, হরমুজ প্রণালির ওপর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা এবং অর্থনৈতিক পতনের মুখে দাঁড়িয়ে ইরান এখন অবশ্যম্ভাবী পরিণতির দিকে এগোচ্ছে।
নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক চাপ
নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এ কারণে ট্রাম্পের সহযোগীরা যুদ্ধের বিস্তারের সম্ভাব্য রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে উদ্বিগ্ন। তবে ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি নির্বাচনকে বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন না।
বুধবার তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যেকোনো সময় পুনরায় হামলা চালাতে প্রস্তুত ওয়াশিংটন। তার দাবি, মার্কিন নজরদারি এড়িয়ে ইরান কোনো পদক্ষেপ নিতে পারছে না।
এদিকে সামরিক হামলার পাশাপাশি ইরানের ওপর অর্থনৈতিক অবরোধ আরও কঠোর করার ঘোষণা দিয়েছে ওয়াশিংটন। একই সঙ্গে তেহরানের বাণিজ্যিক অংশীদার দেশগুলোর ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
সূত্র: এনডিটিভি
আরও পড়ুন:







