বুধবার

২৬ আগস্ট, ২০২৬ ১১ ভাদ্র, ১৪৩৩

নেপালে আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৫; এখনো নিখোঁজ পাঁচ শতাধিক

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৬ আগস্ট, ২০২৬ ২০:২২

আপডেট: ২৬ আগস্ট, ২০২৬ ২০:২৯

শেয়ার

নেপালে আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৫; এখনো নিখোঁজ পাঁচ শতাধিক
ছবি সংগৃহীত

নেপালের উত্তরাঞ্চলীয় সীমান্তবর্তী জেলা রাসুয়া ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫৫ জনে পৌঁছেছে। বার্তাসংস্থা পিটিআই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে।
বুধবার সকালে নেপাল ও চীনের স্বায়ত্ত্বশাসিত তিব্বতে আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি হয়। এতে শত শত মানুষ কাঁদা ও বন্যার পানির নিচে চাপা পড়েন। এখন পর্যন্ত প্রায় ৫০০ মানুষ নিখোঁজ আছেন। যারমধ্যে সর্বোচ্চ ১০৫ জন ভারতীয় আছেন। এছাড়া অন্যান্য দেশের নাগরিকদের নিখোঁজ থাকার তথ্য পাওয়া গেছে।
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, নেপালের ভোতকোশি নদীর পাড়ের মানুষ ও অবকাঠামো এই বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
চীনের তিব্বতে কৈলাশ মানস সরোবর হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য একটি পবিত্র স্থান। তাদের বিশ্বাস সেখানে তাদের দেবতা শিব বসবাস করে। এছাড়া বৌদ্ধ ও জৈন ধর্মাবলম্বীদের পবিত্রস্থানও সেখানে আছে।
নেপালের কাঠমান্ডু বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ও জলবায়ু গবেষক রিজান ভক্ত জানিয়েছেন, প্রাথমিক অনুসন্ধানে তারা জানতে পেরেছেন সেখানকার লেন্দে নামে একটি নদীতে বরফ ধসের ঘটনা ঘটে।

এতে নদীর পানির প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে পানি আর স্বাভাবিকভাবে নিচে নেমে না এসে জমতে থাকে। বুধবার (২৬ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে যখন আকস্মিক বন্যার পানি নেপালে নেমে আসে; তখন তিব্বতে একটি ৪ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্প হয়। ধারণা করা হচ্ছে ওই ভূমিকম্পের কারণে বরফ নড়ে যায় এবং লেন্দে নদীর পানি একসঙ্গে ভোতকোশি নদী দিয়ে নিমে নেমে আসে।
কান্তিপুর টিভিকে এ জলবায়ু গবেষক আরও বলেছেন, চীনের বিজ্ঞানীরা তাদের প্রাথমিকভাবে এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, “আমাদের কাছে একটি বরফ ধসের তথ্য এসেছে। যেটি নেপাল প্রান্তে ঘটে এবং লেন্দে নদীকে আটকে দেয়। ওই সময় তিব্বতে একটি ভূমিকম্পও হয়।”