মঙ্গলবার

১৮ আগস্ট, ২০২৬ ৩ ভাদ্র, ১৪৩৩

বাংলাদেশকে নিয়ে ইতিবাচক সম্পর্ক চায় ভারত

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৮ আগস্ট, ২০২৬ ২১:২৪

শেয়ার

বাংলাদেশকে নিয়ে ইতিবাচক সম্পর্ক চায় ভারত
ছবি সংগৃহীত

বাংলাদেশের সঙ্গে গঠনমূলক ও ইতিবাচক সম্পর্ক এগিয়ে নিতে ভারত আগ্রহী বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল।

মঙ্গলবার নিয়মিত সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশের অতিরিক্ত জ্বালানির চাহিদা পূরণের অনুরোধও ভারত পর্যালোচনা করছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে রণধীর জয়সওয়াল বলেন, এ বিষয়ে নতুন কোনো তথ্য বা অগ্রগতি নেই। নতুন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে তা জানানো হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ভারত সফরের জন্য আন্তরিকভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

এর আগে এক ব্রিফিংয়ে রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছিলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দ্বিপক্ষীয় সফরের পাশাপাশি ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ সেশনে অংশ নেওয়ার জন্যও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এসব আমন্ত্রণ ইতোমধ্যে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

বাংলাদেশে জ্বালানি সরবরাহের বিষয়ে রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ডিজেল সরবরাহের জন্য দুই দেশের মধ্যে একটি চলমান চুক্তি রয়েছে, যা এখনো কার্যকর। বাংলাদেশের অতিরিক্ত সরবরাহের অনুরোধ পর্যালোচনার ক্ষেত্রে ভারতের অভ্যন্তরীণ চাহিদা, শোধন ক্ষমতা এবং দেশে ডিজেলের সার্বিক প্রাপ্যতা বিবেচনায় নেওয়া হবে।

এদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থানও স্পষ্ট করেছে সরকার। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সফরের জন্য একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি হওয়া প্রয়োজন এবং এ বিষয়ে ভারতের কর্তৃপক্ষকে বাংলাদেশের অবস্থান স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, গত ৫ আগস্ট নয়াদিল্লিতে শেখ হাসিনার প্রকাশ্য সংবাদমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ার ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য ভারত সফরকে ঘিরে বিদ্যমান পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাই সফরের বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার আগে পারস্পরিক আস্থা ও অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করাকে গুরুত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ।

সরকার আরও জানিয়েছে, প্রতিবেশী দেশসহ অন্যান্য রাষ্ট্রের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি অব্যাহত রাখবে। সার্বভৌম সমতা, জাতীয় মর্যাদা, একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে এসব সম্পর্ক জোরদার করা হবে।

বাংলাদেশের অবস্থান অনুযায়ী, প্রয়োজনীয় পরিবেশ ও পারস্পরিক আস্থা নিশ্চিত হওয়ার পরই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।



banner close
banner close