রবিবার

১৬ আগস্ট, ২০২৬ ১ ভাদ্র, ১৪৩৩

১২ ঘণ্টার ব্যবধানে ফের ভূমিকম্পে কাঁপল ইন্দোনেশিয়া

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৬ আগস্ট, ২০২৬ ১২:৫২

শেয়ার

১২ ঘণ্টার ব্যবধানে ফের ভূমিকম্পে কাঁপল ইন্দোনেশিয়া
ছবি সংগৃহীত

ইন্দোনেশিয়ায় ৭ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প ও ৩৪১টি আফটার শকের মাত্র ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে আবারও ৬ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে।

শনিবার (১৫ আগস্ট) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৫টা ৫৪ মিনিটে দেশটির উত্তর সুমাত্রা প্রদেশে নতুন এই কম্পন অনুভূত হয়।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার (ইউএসজিএস) তথ্যানুযায়ী, দ্বিতীয় ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল উত্তর সুমাত্রা প্রদেশের পেমাতাংসিয়ানতার শহর থেকে ৭ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে, ভূগর্ভের ১৮৩ দশমিক ২ কিলোমিটার গভীরে। এতে তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। সুনামি সতর্কবার্তাও জারি করা হয়নি।

এর আগে একই দিন ভোর ৫টা ৫৮ মিনিটে ইন্দোনেশিয়ার পূর্ব নুসা তেঙ্গারা প্রদেশের এন্দে শহর থেকে ৬৮ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে সাগরের তলদেশে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার প্রথম ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এর উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে। শক্তিশালী ওই ভূমিকম্পের পর টানা ৩৪১টি পরাঘাত রেকর্ড করা হয়।

প্রথম কম্পনটি সাগরের তলদেশে হওয়ায় প্রাথমিকভাবে সুনামি সতর্কতা জারি করেছিল দেশটির আবহাওয়া দপ্তর। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকায় তিন ঘণ্টা পর তা প্রত্যাহার করা হয়। প্রথম ভূমিকম্পে ৫১ জনের প্রাণহানি ঘটে। এ ছাড়া অন্তত ৫৪টি ভবন পুরোপুরি ধসে পড়ার পাশাপাশি কয়েক শ বাড়িঘর আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

প্রথম ভূমিকম্পের ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার আগেই ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে সুমাত্রায় আবারও ভূমিকম্প অনুভূত হলো।

ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’ বা আগ্নেয় মেখলা অঞ্চলে অবস্থিত ১ হাজার ৭০০ দ্বীপের দেশ ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্প একটি নিয়মিত প্রাকৃতিক দুর্যোগ। এর আগে ২০০৪ সালে দেশটিতে ৯ দশমিক ১ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্প ও সুনামিতে প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।



banner close
banner close