রবিবার

১৬ আগস্ট, ২০২৬ ১ ভাদ্র, ১৪৩৩

যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা করতে মিসরে যাচ্ছেন হামাসপ্রধান

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৬ আগস্ট, ২০২৬ ১০:০৮

শেয়ার

যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা করতে মিসরে যাচ্ছেন হামাসপ্রধান
ছবি: সংগৃহীত

গাজায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনার জন্য মিসরের রাজধানী কায়রো যাচ্ছেন ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের রাজনৈতিক নেতা ও প্রধান আলোচক খলিল আল-হাইয়া।

সংগঠনটির একটি সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি ও আনাদোলু। জুলাইয়ের শেষ দিকে হামাসের নেতৃত্ব নেয়ার পর এটাই আল-হাইয়ার প্রথম মিসর সফর।

রবিবার সকালে মিসরের গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান হাসান রাশাদের সঙ্গে তার বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

প্রতিনিধিদলে আরো থাকছেন হামাসের শুরা কাউন্সিলের প্রধান মোহাম্মদ দারবিশ, বিদেশে সংগঠনটির প্রধান খালেদ মেশাল, পশ্চিম তীরবিষয়ক প্রধান জাহের জাবারিন এবং আরব ও ইসলামিক সম্পর্কবিষয়ক দপ্তরের প্রধান বাসেম নাইম।

গাজায় যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এই সফর গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। যুদ্ধবিরতি নিয়ে হামাস ও ইসরাইলের মধ্যে মতপার্থক্য এখনো রয়েছে। এ অবস্থায় মিসরের মধ্যস্থতায় আলোচনার নতুন উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।

এদিকে আগামী সপ্তাহে ইসরাইল ও মিসর সফরে যাবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা ও বিশেষ দূত জ্যারেড কুশনার। গাজা নিয়ে ট্রাম্পের পরিকল্পনার বিষয়ে ইসরাইল ও অন্য পক্ষগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য কমানোই তার সফরের মূল উদ্দেশ্য।

কুশনারের সঙ্গে থাকবেন বোর্ড অব পিসের সদস্য ও সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার এবং গাজার জন্য বোর্ডটির উচ্চ প্রতিনিধি নিকোলাই ম্লাদেনভ। ম্লাদেনভ এর আগে জাতিসংঘের দূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জেরুজালেমে আলোচনার পর কুশনার, ব্লেয়ার ও ম্লাদেনভ কায়রো সফর করবেন। সেখানে তারা মিসরের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

এর আগে ‘বোর্ড অব পিস’-এর প্রস্তাবিত ১৫ দফা পরিকল্পনা প্রকাশ্যে প্রত্যাখ্যান করেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ওই পরিকল্পনায় হামাস একটি নতুন ফিলিস্তিনি পরিচালনা কমিটির কাছে অস্ত্র হস্তান্তরে সম্মতি জানিয়েছিল।

হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য বাসেম নাইম বলেন, ‘নেতানিয়াহু ও তার সরকারকে পরিকল্পনা অনুযায়ী চলতে বাধ্য করতে আমরা মধ্যস্থতাকারী ও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে চাপের অপেক্ষায় আছি।’

যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা চললেও গাজায় ইসরাইলি হামলা অব্যাহত রয়েছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার ইসরাইলি বিমান হামলা, গোলাবর্ষণ ও বিভিন্ন স্থাপনা ধ্বংসের ঘটনায় দুই ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১৪ জন আহত হয়েছেন।

ফিলিস্তিনি সরকারি সূত্রের দাবি, গত বছরের অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে গাজায় ইসরাইলি হামলায় ১ হাজার ২৫০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

আর ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে চলমান সংঘাতে গাজায় মোট নিহতের সংখ্যা ৭৩ হাজার ৩০০ ছাড়িয়েছে।



banner close
banner close