কলম্বিয়ার পশ্চিমাঞ্চলে ৭.৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ৪৭ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় বহু ভবন ধসে পড়েছে এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। সম্ভাব্য ঝুঁকি এড়াতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
সোমবার (১০ আগস্ট) দেশটির রাজধানী বোগোতা থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার পশ্চিমে চোকো অঞ্চলের সান হোসে দেল পালমার পৌরসভার কাছে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। ইউনাইটেড স্টেটস জিওলজিক্যাল সার্ভে (ইউএসজিএস) ও কলম্বিয়ার ভূতাত্ত্বিক গবেষণা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তি ভূপৃষ্ঠের প্রায় ১০৭ কিলোমিটার গভীরে। খবর আল জাজিরার।
কলম্বিয়ার স্থানীয় ভূতাত্ত্বিক সংস্থা প্রাথমিকভাবে ভূমিকম্পটির মাত্রা ৬.৬ বলে জানিয়েছিল। পরে ইউএসজিএস এর মাত্রা ৭.৪ বলে জানায়। যুক্তরাষ্ট্রের সুনামি সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, এ ভূমিকম্পে সুনামির কোনো আশঙ্কা নেই।
চোকোর গভর্নর নুবিয়া কর্ডোবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানান, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল সান হোসে দেল পালমারের কাছে হলেও প্রাদেশিক রাজধানী কিবদোতেও কয়েকজন আহত হয়েছেন। সেখানে বেশ কয়েকটি ভবন ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আফটারশক নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে বলে জানান তিনি।
বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিনিধিরা জানান, ভূমিকম্পের সময় রাজধানী বোগোতায় আতঙ্কিত মানুষ দ্রুত ভবন থেকে বের হয়ে খোলা জায়গায় চলে আসেন। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের ভিডিও ফুটেজে দেশের অন্যান্য এলাকাতেও বেশ কয়েকটি ভবন ধসে পড়তে দেখা গেছে।
এর আগে গত জুনের শেষ দিকে পার্শ্ববর্তী ভেনেজুয়েলায় দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। ওই জোড়া ভূমিকম্পে ৬ হাজারের বেশি মানুষের প্রাণহানি এবং শত শত ভবন ধ্বংসের খবর পাওয়া যায়।
আরও পড়ুন:








