হাজার মাইল দূরেও থেমে নেই আওয়ামী লীগের দেউলিয়াত্ব। নিজ দেশে যখন কোণঠাসা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, তখন সদূর আমেরিকায় মোদির পক্ষে স্লোগান ধরেছে পলাতক আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। সেইসাথে, তাদের স্লোগানে ছিল, ভারতে পলাতক শেখ হাসিনার প্রসঙ্গও।
স্লোগানের কয়েক সেকেন্ড। আমেরিকায় আয়োজিত কর্মসূচিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর প্রতি প্রকাশ্যে সমর্থনের এই দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
কিন্তু, একই আমেরিকায় দেখা গেছে, সম্পূর্ণ ভিন্ন আরেকটি চিত্র। আমেরিকায় আরেকটি বিক্ষোভে নরেন্দ্র মোদির পদত্যাগের দাবি তুলেছে বিক্ষোভকারীরা। তাদের অভিযোগ, ভারতে গণতান্ত্রিক অধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং বিভিন্ন নীতিগত ইস্যুতে মোদি সরকারের ভূমিকা প্রশ্নের মুখে।
ভারতেও মোদি সরকারের ওপর আন্দোলনের চাপ
মোদির রাজনৈতিক এই চাপ শুধু যুক্তরাষ্ট্রেই সীমাবদ্ধ নয়। ভারতেও সাম্প্রতিক সময়ে, শিক্ষা ব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে গড়ে ওঠা তরুণদের আন্দোলন মোদি সরকারের জন্য বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়।
ককরোচ জনতা পার্টি বা সিজেপি নামে পরিচিত এই আন্দোলন প্রথমে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ও শিক্ষা ব্যবস্থার অনিয়মকে কেন্দ্র করে শুরু হলেও পরে তা বৃহত্তর নাগরিক আন্দোলনের রূপ নেয়। আন্দোলনের মুখে শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেন।
একদিকে বিদেশে মোদির সমর্থনে স্লোগান দিচ্ছে আওয়ামী লীগ-সমর্থকরা। অন্যদিকে, সেই বিদেশেই তাঁর পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ হচ্ছে। আর নিজের দেশ ভারতেও সাম্প্রতিক আন্দোলন বিজেপি সরকারকে বড় ধরনের রাজনৈতিক চাপের মুখে ফেলে।
দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদির সম্পর্ক নেতিবাচকভাবে বহুদিন ধরেই আলোচনার বিষয়। দেউলিয়া হয়ে, বাংলাদেশে জায়গা না পেয়ে আমেরিকায় সেই মোদি এবং হাসিনার পক্ষে আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ, রাজনৈতিক সমালোচনা তৈরি করেছে নতুনভাবে।
আরও পড়ুন:








