গণহত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত বিশ্বনেতাদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আইনের প্রয়োগ এবং প্রয়োজনে গ্রেপ্তারের পক্ষে মত দিয়েছেন ৪৬ শতাংশ মার্কিন নাগরিক। একটি নতুন জরিপে উঠে এসেছে, এ ধরনের অভিযোগের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক আইন যথাযথভাবে কার্যকর হওয়া উচিত বলে মনে করেন অংশগ্রহণকারীদের উল্লেখযোগ্য অংশ।
জরিপে আলোচিত নেতাদের মধ্যে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নামই সবচেয়ে বেশি এসেছে। গাজা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে তার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ওঠা অভিযোগ এবং চলমান আইনি বিতর্কের প্রেক্ষাপটে এ মত প্রকাশ করেন জরিপে অংশ নেওয়া মার্কিন ভোটাররা।
তবে জরিপটি পরিচালনা করেছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠান এবং এতে মার্কিন ভোটারদের মতামত তুলে ধরা হয়েছে।
এদিকে, জরিপের ফলাফল এমন সময় প্রকাশিত হলো, যখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে বসতে ওয়াশিংটনে পৌঁছেছেন নেতানিয়াহু। সফরে রওনা হওয়ার আগে ইসরায়েলি বিমানবাহিনীর একটি ঘাঁটি থেকে দেওয়া ভিডিও বার্তায় তিনি জানান, ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের অন্যতম প্রধান আলোচ্য বিষয় হবে ইরান।
স্ত্রী সারা নেতানিয়াহুকে পাশে নিয়ে হিব্রু ভাষায় দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, “এই জটিল সময়ে দৃঢ় সংকল্প এবং গভীর প্রজ্ঞার সঙ্গে কাজ করতে হবে। আমরা এজেন্ডায় থাকা প্রতিটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করব, যার মধ্যে ইরানই সবচেয়ে শীর্ষে রয়েছে। অবশ্যই আমাদের মূল লক্ষ্য হলো নিরাপত্তা রক্ষা করা এবং একই সঙ্গে আমাদের চারপাশের শান্তির পরিধি আরও বিস্তৃত করা।”
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সকাল ১১টায় ট্রাম্পের সঙ্গে নেতানিয়াহুর বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। দীর্ঘ পাঁচ মাসেরও বেশি সময় পর দুই নেতার মধ্যে এটিই প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক।
অন্যদিকে, গত বুধবার নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি বলেন, নিউইয়র্ক সিটির হাতে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করার আইনি ক্ষমতা না থাকলেও তিনি বিষয়টি বাস্তবায়নের জন্য ফেডারেল সরকারের প্রতি আহ্বান জানাবেন।
উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) ২০২৪ সালের নভেম্বরে গাজায় যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। ইসরায়েল এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।
আরও পড়ুন:








