বৃহস্পতিবার

২৩ জুলাই, ২০২৬ ৮ শ্রাবণ, ১৪৩৩

সরকারের আলোচনা প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান সিজেপির

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৩ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৪৮

শেয়ার

সরকারের আলোচনা প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান সিজেপির
ছবি সংগৃহীত

ভারতে চলমান আন্দোলন ও প্রশ্নপত্র ফাঁসের ইস্যুতে কেন্দ্রীয় সরকারের আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)।

দলটির দাবি, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা হয় আন্দোলনস্থল জন্তর মন্তরে আসবেন, নয়তো নিরপেক্ষ কোনো স্থানে বৈঠক করতে হবে। এ তথ্য জানিয়েছে দ্য হিন্দু।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে.পি. নাড্ডা সিজেপিকে আলোচনায় আমন্ত্রণ জানান। তবে দলটির নেতারা সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন।

আলোচনায় অনড় অবস্থান

সিজেপির নেতা অশুতোষ রাঙ্কা বলেন, মন্ত্রীরা জানিয়েছেন, মানুষ ক্ষুব্ধ থাকায় তারা জন্তর মন্তরে আসতে পারবেন না। আমরা বলছি, আমাদের সময় নষ্ট করবেন না।

এর আগে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংও আন্দোলনরত তরুণ নেতাদের উদ্দেশে উন্মুক্ত আলোচনার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁস ও চলমান আন্দোলনের বিষয়টি সরকারের কাছে মর্যাদার প্রশ্ন নয়। তিনি এবং কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে.পি. নাড্ডা সময়সীমার কোনো বাধ্যবাধকতা ছাড়াই নাড্ডার সরকারি বাসভবন বা দপ্তরে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত।

তবে সিজেপি আগের অবস্থানেই অনড় রয়েছে। দলটির নেতারা জানিয়েছেন, সরকারের সঙ্গে তারা কেবল নিরপেক্ষ কোনো স্থানে আলোচনায় বসবেন।

আন্দোলনে অসুস্থ সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা

এদিকে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে আন্দোলনরত অবস্থায় অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে দীপকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

অভিজিৎ দীপকে জানিয়েছেন, বিশ্রামের জন্য সাময়িকভাবে দূরে থাকবেন। তবে সন্ধ্যার মধ্যে জন্তর মন্তরের প্রতিবাদ মঞ্চে ফিরে আসবেন।

অভিজিৎ দীপকেসহ অন্যান্য বিক্ষোভকারীরা কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে অনড় রয়েছেন।

লাঠিচার্জ নিয়ে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

বুধবার (২২ জুলাই) রাতে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ওপর লাঠিচার্জ করে এবং কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে। তবে দিল্লি পুলিশের অভিযোগ, পার্লামেন্ট স্ট্রিটের দিকে অগ্রসর হওয়া ভিড়কে আটকাতে গেলে তাদের উদ্দেশে পাথর ও বোতল ছোড়া হয়।

এই ঘটনায় পুলিশের বিরুদ্ধে নৃশংসতার অভিযোগ তোলেন দীপকে। বিক্ষোভকারীদের প্রতি পুলিশের আচরণ নিয়ে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। একই সঙ্গে পুরো ভারতজুড়ে এই আন্দোলন বাড়ছে।



banner close
banner close