সোমবার

১৩ জুলাই, ২০২৬ ২৯ আষাঢ়, ১৪৩৩

সর্বশেষ
অগ্নিকাণ্ডে সর্বস্ব হারানো আট পরিবারকে সহায়তার আশ্বাস: জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন কমিটি বন্যাকবলিত ১১ জেলার সকল স্বাস্থ্যকর্মীর ছুটি বাতিল করলো স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় দুর্নীতির দায়ে দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্টকে কারাদণ্ড 'চলতি বছরেই সব উপজেলা হাসপাতালে আধুনিক প্যাথলজিক্যাল ল্যাব স্থাপন করা হবে' ‘ইনকিলাব কালচারাল ট্রাস্ট’ গঠনে শহীদ ওসমান হাদি ফাউন্ডেশনের চার দফা প্রস্তাব বান্দরবানে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি; আশ্রয় কেন্দ্র থে‌কে বা‌ড়িতে ফির‌ছে মানুষ চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় কোরআন শিক্ষা কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে জামায়াত-বিএনপি মুখোমুখি অবস্থান

দুর্নীতির দায়ে দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্টকে কারাদণ্ড

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৩ জুলাই, ২০২৬ ১৬:৪১

শেয়ার

দুর্নীতির দায়ে দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্টকে কারাদণ্ড
ছবি: সংগৃহীত

দেশের একটি পর্যবেক্ষণ সংস্থাকে দিয়ে জনমত জরিপ করিয়ে মজুরি পরিশোধ না করা এবং আইনজীবীর মাধ্যমে মামলার ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে দক্ষিণ কেরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইয়োলকে ২ বছর কারাবাসের সাজা দিয়েছেন দেশটির এক আদালত।

সোমবার রাজাধানী সিউলের কেন্দ্রীয় জেলা আদালত এই রায় ঘোষণা করেছেন বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে রয়টার্স। মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট পদে থাকাকালে নিজের জনপ্রিয়তা যাচাইয়ের জন্য ওই সংস্থাকে দিয়ে দেশজুড়ে মোট ১৪ দফা জরিপ করিয়েছিলেন ইউন সুক ইয়োল। সংস্থাটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এসব জরিপের সম্মিলিত পারিশ্রমিক হিসেবে ২৭ কোটি ঔন বা ১ লাখ ৭৯ হাজার ৮০০ ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় ২ কোটি ২২ লাখ ৩৬ হাজার ৪৪১ টাকা) দাবি করেছিলেন তারা।

তবে ইউন সুক ইওল সেই সংস্থাকে পারিশ্রমিক প্রদান তো করেনইনি, উপরন্তু নিজের আইনজীবীকে দিয়ে সেই সংস্থাকে হুমকি ও মামলার ভয় দেখিয়েছিলেন।

ইউন সুক ইওল অবশ্য এ অভিযোগ সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান করেছেন। আদালতের কাছে ইওল দাবি করেছেন, তিনি ক্ষমতা বা ক্ষমতার বাইরে থাকার সময় কখনও কোনো প্রতিষ্ঠানকে জরিপ চালানোর ফরমায়েশ দেননি।

গত ৩ ডিসেম্বর রাতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে ‘রাষ্ট্রবিরোধী শক্তিকে’ সমূলে উৎপাটনের কথা বলে হঠাৎ করেই সামরিক আইন জারির ঘোষণা দেন ইউন। তার এ ঘোষণায় পুরো দক্ষিণ কোরিয়া স্তম্ভিত হয়ে যায়।

পরে প্রবল বিরোধিতার মুখে সামরিক আইন প্রত্যাহারে বাধ্য হন প্রেসিডেন্ট।

কিন্তু তার এই পদক্ষেপে দক্ষিণ কোরিয়া কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে গুরুতর রাজনৈতিক সংকটে পড়ে। গণতান্ত্রিক সাফল্যের গাথা রচনাকারী দক্ষিণ কোরিয়ার অর্জিত সুনাম নষ্ট হওয়ার হুমকি তৈরি হয়। বিরোধী দলের অভিশংসন প্রস্তাবের মুখে পড়েন ইউন। প্রথম দফা অভিশংসনের পর গত ১৪ ডিসেম্বর ইউনকে বরখাস্ত করেন দেশটির সাংবিধানিক আদালত।

৬৫ বছর বয়সী ইওলের বিরুদ্ধে দেশটির একাধিক আদালতে মোট ৮টি মামলা চলছে। গত ফেব্রুয়ারি মাসে সামরিক আইন জারি মামলায় তাকে যাবজ্জীবন কারাবাসের সাজা দেয়েছেন সিওল কেন্দ্রীয় জেলা আদালত। রায়ের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে ইয়োল উচ্চ আদালতে আপিলও করেছেন।



banner close
banner close