বুধবার

৮ জুলাই, ২০২৬ ২৪ আষাঢ়, ১৪৩৩

মধ্যপ্রাচ্যে ৮৫ স্থাপনায় ইরানের হামলার দাবি

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ৮ জুলাই, ২০২৬ ১৫:৩৯

শেয়ার

মধ্যপ্রাচ্যে ৮৫ স্থাপনায় ইরানের হামলার দাবি
ছবি সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন করে তীব্র সামরিক উত্তেজনায় জড়িয়েছে ইরান। হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট সংঘাতের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের দুই দেশে অবস্থিত মার্কিন বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে তেহরান। ইরানের দাবি, এ অভিযানে মোট ৮৫টি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে।

বুধবার (৮ জুলাই) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে জানায়, দেশটির নৌ ও বিমান বাহিনী যৌথভাবে ৮৫টি লক্ষ্যবস্তুতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা পরিচালনা করেছে। তাদের দাবি, গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করেই এ অভিযান চালানো হয়েছে।

আইআরজিসির ভাষ্য অনুযায়ী, হামলার লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের ঘাঁটি এবং কুয়েতের আলি আল-সালেম বিমান ঘাঁটিও রয়েছে।

এর আগে মঙ্গলবার ইরানের হরমোজগান ও মাহশাহর উপকূলীয় এলাকায় সামরিক ঘাঁটি এবং কয়েকটি বেসামরিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্র বিমান হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করে তেহরান। এর জবাব হিসেবেই এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে বলে জানায় আইআরজিসি। একই সঙ্গে তারা অভিযোগ করেছে, যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি এবং ইসলামাবাদ চুক্তি লঙ্ঘন করেছে।

আইআরজিসি আরও দাবি করেছে, সাম্প্রতিক মার্কিন হামলাগুলো ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতার দাফন ও সংশ্লিষ্ট ঘটনাবলির সময়কে কেন্দ্র করে পরিচালিত হয়েছে এবং এর মাধ্যমে ওয়াশিংটন ঐতিহাসিক ঘটনাটিকে ম্লান করার চেষ্টা করেছে।

এদিকে ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ড খাতাম আল-আনবিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজ ও তেলবাহী ট্যাংকারের জন্য নিরাপদ নৌপথ নির্ধারণের অধিকার ইরানের রয়েছে। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ কোনো অবস্থাতেই মেনে নেওয়া হবে না বলেও সতর্ক করা হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ইরানে সাম্প্রতিক হামলার মাধ্যমে গত মাসে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের অঙ্গীকারের প্রতি যুক্তরাষ্ট্র সম্পূর্ণ অবজ্ঞা দেখিয়েছে। পাশাপাশি তথাকথিত ‘আমেরিকান সন্ত্রাসবাদের’ জবাব দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়েছে।

তবে ইরানের এসব দাবির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। স্বাধীনভাবে হামলার দাবি ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও যাচাই করা সম্ভব হয়নি।



banner close
banner close