পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ওপর নির্যাতনের দায়ে চারটি সংস্থা ও তিন ব্যক্তির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) কাউন্সিল। এই তালিকায় চরমপন্থী ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারী এবং তাদের সমর্থনকারী সংগঠনগুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) এক বিবৃতিতে এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ইইউ।
নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রয়েছে ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির করা নাখালা বসতি আন্দোলন ও এর পরিচালক ড্যানিয়েলা ওয়েইস; ইসরায়েলি এনজিও রেগাভিম ও এর পরিচালক মায়ার ডয়েচ; হাশোমের ইয়োশ এনজিও ও এর সভাপতি আভিচাই সুইসার এবং বসতি স্থাপনকারী আন্দোলন গুশ এমুনিমের আমানা সমবায় সমিতি।,
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত প্রত্যেক ব্যক্তির বিরুদ্ধে সুস্পষ্ট অভিযোগ রয়েছে যে, তারা মানুষের মৌলিক মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে। এর মধ্যে রয়েছে শারীরিক ও মানসিক অখণ্ডতার অধিকার, সম্পত্তির অধিকার, ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনের অধিকার, ধর্ম বা বিশ্বাসের স্বাধীনতা এবং শিক্ষার অধিকার।
অভিযোগ অনুযায়ী, এসব ক্ষেত্রে তাদের কর্মকাণ্ডের কারণে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মৌলিক অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়েছে, নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্তটি গত ১১ মে ইইউর পররাষ্ট্র বিষয়ক কাউন্সিলে গৃহীত হয়েছে। যাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে, তাদের সম্পদ (যেমন অর্থ বা সম্পত্তি)। জব্দ করা হবে। তারা বা তাদের সঙ্গে যুক্ত কেউ কোনো ধরনের অর্থ বা আর্থিক সুবিধা পেতে পারবে না।
এছাড়া, ওই তালিকাভুক্ত ব্যক্তিরা কোনো দেশে ভ্রমণও করতে পারবে না। অর্থাৎ তাদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞাও জারি থাকবে।
এদিকে পৃথক আরেক বিবৃতিতে ইইউ কাউন্সিল বলেছে, তারা ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস ও ফিলিস্তিনি ইসলামিক জিহাদের ওপর নিষেধাজ্ঞার পরিধি আরও বৃদ্ধি করবে, যাতে হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর (পলিটব্যুরো) সেইসব সদস্যরাও এর আওতাভুক্ত হন, যারা সহিংস কর্মকাণ্ডকে উৎসাহিত, সমর্থন বা ন্যায্যতা প্রদান করে।
পৃথক আরেক বিবৃতিতে ইইউ কাউন্সিল বলেছে, ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস ও ফিলিস্তিনি ইসলামিক জিহাদের বিরুদ্ধে তাদের নিষেধাজ্ঞা আরও কঠোর করতে চায়। এর আওতায় হামাসের সেই রাজনৈতিক নেতারাও পড়বেন, যারা সহিংসতাকে সমর্থন করেন বা তা ন্যায্য বলে প্রচার করেন।,
আরও পড়ুন:








