মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার দাবি করে আসছেন যে, ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধ খুব শীঘ্রই শেষ হবে। গতকাল শুক্রবার নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে সমর্থকদের উদ্দেশ্যে দেওয়া এক বক্তৃতায় ট্রাম্প একই কথার পুনরাবৃত্তি করে বলেছেন, 'এটি খুব শীঘ্রই শেষ হতে চলেছে।' তবে ট্রাম্পের এমন রাজনৈতিক বাগাড়ম্বর বা আশ্বাসের পরও তেহরানে চলমান ব্যাপক কূটনৈতিক তৎপরতার মধ্যে আসলেই কোনো চুক্তি হবে কি না—তা দেখতে বিশ্ব এখন মূলত ‘অপেক্ষা করো এবং দেখো’ নীতিতে রয়েছে।
মিডল ইস্ট ইনস্টিটিউটের সিনিয়র ফেলো জেসন ক্যাম্পবেল এই বিশ্লেষণ দিয়েছেন।
বিশ্লেষক ক্যাম্পবেল উল্লেখ করেছেন, বর্তমান পরিস্থিতি শান্ত তেলের দাম ও মধ্যবর্তী নির্বাচন নিয়ে অভ্যন্তরীণ চাপে ট্রাম্পকরার জন্য ইরানের তুলনায় ট্রাম্প প্রশাসনই অনেক বেশি তীব্র ও বহুমুখী চাপের মুখোমুখি রয়েছে।,
এর কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, তেহরান গত কয়েক দশক ধরেই তাদের ওপর আসা বিপুল পরিমাণ চাপ সহ্য করতে সক্ষম হয়েছে; তা অর্থনৈতিক হোক কিংবা গত কয়েক সপ্তাহের তীব্র নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর চাপই হোক না কেন। ইরানি প্রশাসন মনে করে তারা আরও চাপ শোষণ বা সহ্য করে নিতে পারবে।
অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং জটিল। যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ায় আমেরিকার অভ্যন্তরীণ বাজারসহ বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।,
এর পাশাপাশি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অত্যন্ত প্রভাবশালী ও গুরুত্বপূর্ণ ‘মিডটার্ম’ বা মধ্যবর্তী নির্বাচন ঘনিয়ে আসছে। ফলে, আকাশছোঁয়া মূল্যস্ফীতি ও জনরোষের কারণে হোয়াইট হাউজের জন্য সময় মোটেও কোনো নিরপেক্ষ ফ্যাক্টর বা অনুকূল বিষয় নয়; বরং ট্রাম্পের ওপর দ্রুত যুদ্ধ থামানোর অভ্যন্তরীণ চাপ প্রতি মুহূর্তেই মাউন্ট বা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সূত্র: আল জাজিরা
আরও পড়ুন:








