বুধবার

২২ এপ্রিল, ২০২৬ ৯ বৈশাখ, ১৪৩৩

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র মজুত উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে: দ্য হিল

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১০:৩৮

আপডেট: ২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১০:৩৯

শেয়ার

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র মজুত উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে: দ্য হিল
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের বিরুদ্ধে প্রায় সাত সপ্তাহের সামরিক অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র মজুত উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে বলে দাবি করেছে দেশটির সংবাদমাধ্যম দ্য হিল।

ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ (সিএসআইএস)-এর বরাত দিয়ে দ্য হিল জানায়, যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারের প্রায় অর্ধেক মজুত ব্যবহার করেছে।

মঙ্গলবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র ছাড়াও থাড ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রায় অর্ধেকের বেশি ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়াও প্রিসিশন স্ট্রাইক মিসাইল মোট মজুতের প্রায় ৪৫ শতাংশের বেশি ইরানে ছোঁড়া হয়েছে।

এছাড়া যুদ্ধে 'টমাহক' ক্ষেপণাস্ত্র, 'জ্যাসম', 'এসএম-৩' ক্ষেপণাস্ত্র এবং 'এসএম-৬' ক্ষেপণাস্ত্রের মজুতও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।

সিএসআইএস বলছে, ‘অপারেশন এপিক ফিউরি অভিযানে এসব অস্ত্রের মজুত ব্যাপকভাবে ব্যবহার করায় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার। এমন পরিস্থিতিতে ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে এক থেকে চার বছর সময় লাগতে পারে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, চীনের মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের সঙ্গে সম্ভাব্য সংঘাতের জন্য প্রয়োজনীয় মজুত আগেই পর্যাপ্ত ছিল না। ইরান যুদ্ধের পর সেই ঘাটতি আরও বেড়েছে।

তবে বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে হামলা চালানো বা প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বজায় রাখার মতো অস্ত্র এখনো যুক্তরাষ্ট্রের হাতে রয়েছে। কিন্তু চীনের মতো প্রতিদ্বন্দ্বীর সঙ্গে বড় সংঘাতে নামার মতো পর্যাপ্ত মজুত নেই।

এ বিষয়ে পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পার্নেল বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী এবং প্রেসিডেন্ট যখন ও যেখানে নির্দেশ দেবেন, সেখানে অভিযান চালানোর সব সক্ষমতা তাদের রয়েছে।



banner close
banner close