ইসরায়েলের সামরিক মূল্যায়নের তথ্য অনুযায়ী ইরান এখনও এক হাজারের বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রাখছে, যেগুলো ইসরায়েল পর্যন্ত আঘাত হানতে সক্ষম। লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর অস্ত্রভান্ডারে রয়েছে প্রায় ৮ থেকে ১০ হাজার স্বল্পপাল্লার রকেট, যা সীমান্তবর্তী এলাকায় এখনও বড় হুমকি হিসেবে রয়ে গেছে।
ইসরায়েলি বিমানবাহিনীর এক কর্মকর্তা চ্যানেল ১২-কে জানান, ইরানের এই ক্ষেপণাস্ত্রকে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করতে বিপুল সম্পদ বিনিয়োগ করতে হবে এবং এটি শূন্যে নামানো সম্ভব নয়। যুদ্ধ শুরুর আগে ইরানের কাছে প্রায় দুই হাজার মাঝারি পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছিল, যেগুলো ইসরায়েল পর্যন্ত আঘাত হানতে সক্ষম। এর মধ্যে ৫০০টির বেশি ইতিমধ্যে ইসরায়েলের দিকে নিক্ষেপ করা হয়েছে এবং কিছু ধ্বংস করা হয়েছে ইরানের ভূখণ্ডেই।
তেহরান পার্বত্য অঞ্চলে থাকা বহু টানেল সাইলো থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার কারণে ধ্বংস করা কঠিন হচ্ছে। হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে ইসরায়েল লেবাননের সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালাচ্ছে। প্রতিদিন ২০০ থেকে ২৫০টি রকেট ছোড়া হচ্ছে, যার বেশির ভাগই দক্ষিণ লেবাননে অবস্থানরত ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্য করে। আইডিএফের এক মুখপাত্র নিশ্চিত করেছেন, হিজবুল্লাহর অবশিষ্ট রকেটসংখ্যার তথ্য সঠিক।
উত্তর ও কেন্দ্রীয় ইসরায়েলের বেসামরিক মানুষ রকেট হামলার কারণে আশ্রয়কেন্দ্রে থাকতে বাধ্য হচ্ছে। আইডিএফ রকেট উৎক্ষেপণ শনাক্তকরণ প্রযুক্তি উন্নত করছে, যাতে মানুষকে আশ্রয় নেওয়ার আরও সময় দেওয়া যায়। এ ছাড়া ইসরায়েলের শিক্ষা মন্ত্রণালয় ধীরে ধীরে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান পুনরায় চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে, বিমানবন্দর যাত্রীর সংখ্যা বৃদ্ধি করা হচ্ছে এবং সিনেমা হলেও প্রদর্শনী শুরু হয়েছে।
আরও পড়ুন:








