নতুন ধাপের অভিযান শুরু করেছে ইরানের বিপ্লাবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। গোষ্ঠীটির সঙ্গে এ হামলায় যোগ দিয়েছে লেবাননের প্রতিরোধ যোদ্ধা হিজবুল্লাহ। দুপক্ষের যৌথ হামলায় ইসরায়েলের শতাধিক শহরে সাইরেন বাজতে শোনা গেছে।
রবিবার আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ইসরায়েলি গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, উত্তর ইসরায়েলে ইরানি হামলার সঙ্গে একই সময়ে হিজবুল্লাহর রকেট হামলাও চলেছে। এর ফলে ১০০টিরও বেশি শহরে সাইরেন বেজে উঠেছে।
এদিকে আইআরজিসি জানিয়েছে, ইসরায়েলে নতুন ধাপে হামলা শুরু হয়েছে। এ হামলায় ৮৬টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছোড়া হয়েছে। ‘সানডে ডন বা রোববার ভোর’ নামক এ অভিযানে ইরাকের ভিক্টোরিয়া, কুয়েতের আরিফজান এবং সৌদি আরবের আল খার্জের প্রিন্স সুলতান বিমান ঘাঁটিকে নিশানা করা হয়েছে। অভিযানের মূল লক্ষ্য মার্কিন বাহিনীর ‘আকাশপথ ও ড্রোন পরিচালনার অবকাঠামো এবং অস্ত্রভাণ্ডার’।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের আরদ, নেগেভ, তেল আভিভ, এরবিল, বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন পঞ্চম নৌবহর এবং আবুধাবির আল ধাফরাসহ বিভিন্ন এলাকায় এ হামলায় চালানো হয়েছে। এসব হামলার মূল লক্ষ্য মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর গোপন আস্তানা।
এদিকে আলোচনার কথা বললেও ‘গোপনে শত্রুরা নীল নকশা সাজাচ্ছে’ বলেছেন ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের ৩০ দিন পূর্তি উপলক্ষে তিনি এ কথা বলেন। রবিবার আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেন, শত্রুপক্ষ প্রকাশ্যে আলোচনার সংকেত দিলেও গোপনে স্থল হামলার পরিকল্পনা করছে। তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র একটি ১৫ দফা প্রস্তাবের মাধ্যমে তাদের ইচ্ছা চাপিয়ে দিতে চাইছে এবং যুদ্ধে যা অর্জন করতে পারেনি, তা আলোচনার মাধ্যমে আদায়ের চেষ্টা করছে।
গালিবাফ বলেন, ইরানের সামরিক বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে। মার্কিন সেনারা স্থলপথে প্রবেশ করলে তাদের ওপর কঠোর আঘাত হানা হবে।
আরও পড়ুন:








