মালয়েশিয়ায় সাম্প্রতিক মাসগুলোতে অন্তত আটজন ইসরাইলি পাসপোর্টধারীকে আটক করা হয়েছে। কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবেশ বা ট্রানজিটের সময় এরা আটক হন। ইসরাইল ও মালয়েশিয়ার মধ্যে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই।
ওয়াইনেট গ্লোবালের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, আটকদের মধ্যে কেউ মালয়েশিয়ায় প্রবেশের চেষ্টা করছিলেন, আবার কেউ অন্য এশীয় দেশে যাওয়ার জন্য ট্রানজিট পথ ব্যবহার করছিলেন। সম্প্রতি ফিলিপাইনগামী একটি ফ্লাইটে ট্রানজিটের সময় চারজন ইসরাইলি যুবক-যুবতীকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে দুই নারী জানান, থাইল্যান্ড থেকে ফিলিপাইনে যাওয়ার পথে কুয়ালালামপুরে ট্রানজিটের নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রশ্নে একটি চ্যাটবট থেকে তারা ইতিবাচক উত্তর পেয়েছিলেন।
আরেক ঘটনায় কম্বোডিয়া থেকে ফিলিপাইনে যাওয়ার পথে দুই ইসরাইলি পুরুষকে মালয়েশিয়ায় আটক করা হয়। দুই দিন পর তাদের কম্বোডিয়ায় ফেরত পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব আটকের ঘটনা সাধারণত ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা স্থায়ী হলেও বহিষ্কৃত ইসরাইলিদের অন্য দেশগুলো প্রবেশে অস্বীকৃতি জানালে তা দীর্ঘায়িত হয়।
সিঙ্গাপুরে অবস্থিত ইসরাইলি দূতাবাসের হস্তক্ষেপে বেশ কয়েকজনকে মুক্ত করা সম্ভব হয়েছে। দেশটির রাষ্ট্রদূত এলিয়াহু ভেরেড হাজান ইসরাইলি নাগরিকদের মালয়েশিয়া ভ্রমণ বা ট্রানজিট এড়িয়ে চলার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, জীবনের ঝুঁকি থাকলে সব ঠিক হয়ে যাবে বলে ভাবা ঠিক নয়। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি আটকের ঘটনা বেড়েছে, যা ভোগান্তি, বিলম্ব ও অতিরিক্ত খরচের কারণ হচ্ছে।
আরও পড়ুন:








