শনিবার

২৮ মার্চ, ২০২৬ ১৪ চৈত্র, ১৪৩২

মোদিকে ঘিরে বিতর্ক: শারীরিক সম্পর্কের ভিত্তিতে মন্ত্রিত্ব?

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৮ মার্চ, ২০২৬ ২১:১৫

আপডেট: ২৮ মার্চ, ২০২৬ ২১:১৯

শেয়ার

মোদিকে ঘিরে বিতর্ক: শারীরিক সম্পর্কের ভিত্তিতে মন্ত্রিত্ব?
ছবি সংগৃহীত

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি-কে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। একাধিক নারী এমপিকে শারীরিক সম্পর্কের বিনিময়ে মন্ত্রিত্ব দেওয়ার অভিযোগ তুলে আলোচনায় এসেছেন বিজেপি নেতা সুব্রহ্মণ্যম স্বামী। তবে এ ধরনের গুরুতর অভিযোগের পক্ষে এখনো কোনো প্রমাণ সামনে আসেনি।

সম্প্রতি এক পডকাস্টে বিতর্কিত মার্কিন ব্যক্তি জেফ্রি এপস্টেইন-এর প্রসঙ্গ টেনে স্বামী দাবি করেন, ভারতের রাজনীতিতেও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তদন্ত হওয়া উচিত। তার বক্তব্যে ইঙ্গিত করা হয়, শারীরিক সম্পর্কের ভিত্তিতে কিছু নারীকে এমপি ও মন্ত্রী করা হয়েছে।

এই বক্তব্যকে সমর্থন করে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট দেন হিন্দুত্ববাদী লেখিকা মধুপূর্ণিমা কিশওয়ার। তিনি দাবি করেন, এ ধরনের অভিযোগ রাজনৈতিক মহলের অনেকেরই জানা। এমনকি তিনি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী এবং এস জয়শঙ্কর-এর নাম উল্লেখ করে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন।

এছাড়া সাবেক শিক্ষামন্ত্রী স্মৃতি ইরানি-র মন্ত্রী হওয়ার প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। কিশওয়ারের দাবি, ২০১৪ সালের বিদেশ সফরের সময়ও তিনি প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নানা বিতর্কিত আলোচনা শুনেছেন।

উল্লেখ্য, মধুপূর্ণিমা কিশওয়ার দীর্ঘদিন ধরে হিন্দুত্ববাদী মতাদর্শের সমর্থক হিসেবে পরিচিত এবং একসময় মোদির ঘনিষ্ঠ হিসেবেও বিবেচিত ছিলেন। তাই তার এমন মন্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

তবে এখন পর্যন্ত উত্থাপিত এসব অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রত্যক্ষ প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকেও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

ঘটনাটি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে—এটি কি ব্যক্তিগত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ, নাকি বৃহত্তর কোনো রাজনৈতিক ইঙ্গিত বহন করছে। একই সঙ্গে প্রমাণ ছাড়া এ ধরনের গুরুতর অভিযোগ কতটা গ্রহণযোগ্য, তা নিয়েও শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক।



banner close
banner close