ভারতের চণ্ডীগড়ে নতুন আবগারি নীতির আওতায় এখন থেকে নির্দিষ্ট পেট্রোল পাম্প ও ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে মদ বিক্রি করা যাবে। এর ফলে শহরের বাসিন্দারা মদ কেনার জন্য বিশেষ দোকানের ওপর নির্ভরশীল থাকবেন না।
চণ্ডীগড়ের ডেপুটি কমিশনার নিশান্ত কুমার যাদব জানিয়েছেন, যেসব প্রতিষ্ঠান বার্ষিক জিএসটি টার্নওভার ৩ কোটি রুপির বেশি, তারা সেকশন ১০বি-এর অধীনে লাইসেন্স পাবে। নতুন নীতির লক্ষ্য হলো চণ্ডীগড়ে মদ বিক্রির ব্যবস্থাকে আধুনিক করা এবং আন্তর্জাতিক মানের খুচরা বিক্রির ধাঁচে উন্নত করা। বিশেষ করে প্রবীণ নাগরিক ও নারীরা এখন সহজে কেনাকাটা করতে পারবেন।
বর্তমানে শহরে পেট্রোল পাম্পের ভেতরে বড় ডিপার্টমেন্টাল স্টোর নেই, তবে ভবিষ্যতে যদি এমন কোনো প্রতিষ্ঠান চালু হয় এবং টার্নওভার পূরণ করে, তারা লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারবে। একই নিয়ম স্বতন্ত্র পেট্রোল পাম্পেও প্রযোজ্য।
নতুন নীতিতে মদের দোকানের খোলার সময়সীমা রাত ১২টা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। লাইসেন্সধারীদের দায়বদ্ধতা বাড়াতে সম্ভাব্য বার্ষিক আয়ের ১৭ শতাংশ অগ্রিম জমা দিতে হবে। এর ফলে রাজস্ব বৃদ্ধি ও লাইসেন্স বাতিলের ঝুঁকি কমবে। প্রশাসনের সাম্প্রতিক বরাদ্দ থেকে ১৫০ কোটি টাকা অতিরিক্ত রাজস্ব এসেছে।
এই নীতি ভোক্তাদের সুবিধা, কঠোর নিয়ন্ত্রণ ও রাজস্ব বৃদ্ধির মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করছে।
আরও পড়ুন:








