সোমবার

২৩ মার্চ, ২০২৬ ৯ চৈত্র, ১৪৩২

সর্বশেষ
হরমুজে ইরানের সামরিক ঘাঁটি ধ্বংস না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের অভিযান চলবে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দরে আইসিই এজেন্ট মোতায়েনের ঘোষণা ইনকিলাব মঞ্চের ৬ দফা দাবি: সরকারকে ১৫ দিনের আল্টিমেটাম বরিশালে বৃদ্ধ হত্যা: পুলিশের উপস্থিতিতে হামলা ঠেকাতে ব্যর্থ সিলেটের জৈন্তাপুর সীমান্ত থেকে চার শিশুসহ ১৮ বাংলাদেশি আটক ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধে তুরস্ক ও উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বৃদ্ধি পাচ্ছে ইইউতে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি জানুয়ারিতে ২৫ শতাংশ কমেছে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের বালিয়াড়িতে কোনো স্থাপনা রাখা হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দরে আইসিই এজেন্ট মোতায়েনের ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৩ মার্চ, ২০২৬ ০৭:২০

শেয়ার

যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দরে আইসিই এজেন্ট মোতায়েনের ঘোষণা
ছবি সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি শাটডাউনের প্রেক্ষিতে বিমানবন্দরে নিরাপত্তা লাইনের চাপ কমাতে সোমবার থেকে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) এজেন্ট মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য টিএসএ (ট্রান্সপোর্টেশন সিকিউরিটি অ্যাডমিনিস্ট্রেশন) কর্মকর্তাদের যাত্রী স্ক্রিনিংয়ে আরও বেশি মনোযোগ দিতে সাহায্য করা। তবে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক তীব্র হয়ে উঠেছে।

হোয়াইট হাউসের সীমান্ত বিষয়ক প্রধান টম হোম্যান জানিয়েছেন, সোমবার থেকে আইসিই এজেন্টরা বিমানবন্দরগুলোতে টিএসএকে সহায়তা করতে উপস্থিত থাকবেন। তাদের মূল কাজ হবে এক্সিট ডোর পাহারা দেয়া, যাতে টিএসএ কর্মকর্তারা যাত্রী স্ক্যানিংয়ে বেশি মনোযোগ দিতে পারেন। কোন বিমানবন্দরগুলোতে প্রথমে এই পদক্ষেপ কার্যকর হবে তা সোমবার সকালে চূড়ান্ত করা হবে।

ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটির (ডিএইচএস) শাটডাউনের কারণে টিএসএ কর্মীরা বেতন না পেয়ে অসংখ্য ছুটি নেয়া বা চাকরি ছেড়েছেন। এ পরিস্থিতিতে ৪০০-র বেশি টিএসএ কর্মকর্তা তাদের চাকরি ছেড়েছেন। এই শাটডাউন পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আইসিই এজেন্টদের মোতায়েনের পরিকল্পনা ঘোষণা করেন।

তবে এই পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেছেন আমেরিকান ফেডারেশন অব গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজের সভাপতি এভারেট কেলি। তিনি বলেছেন, আইসিই এজেন্টরা বিমান নিরাপত্তা বিষয়ে প্রশিক্ষিত নন এবং তাদের উপস্থিতি নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়াতে পারে। একইভাবে, হাউস ডেমোক্রেটিক নেতা হাকিম জেফ্রিসও এই পরিকল্পনাকে সমালোচনা করেছেন। তাদের দাবি, অপ্রশিক্ষিত আইসিই এজেন্টদের বিমানবন্দরে মোতায়েন করলে এটি আমেরিকান জনগণের জন্য হুমকি হতে পারে এবং কার্যকর পরিবর্তন না আসা পর্যন্ত আইসিইকে আর্থিক সহায়তা বন্ধ করা উচিত।

অপরদিকে, রিপাবলিকানরা এই পদক্ষেপের পক্ষে এবং আইসিই ও কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন (সিবিপি) এর জন্য আলাদা অর্থায়নের পক্ষেও অবস্থান নিয়েছেন। টেক্সাসের সিনেটর টেড ক্রুজ এবং লুইজিয়ানার সিনেটর জন কেনেডি আইসিই ও সিবিপির জন্য আলাদা অর্থায়নের বিষয়ে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।

এ পরিস্থিতিতে, যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দরগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা কার্যকরভাবে পুনর্গঠন হবে তা ভবিষ্যতে স্পষ্ট হবে।



আরও পড়ুন:

banner close
banner close