বৃহস্পতিবার

৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬ বৈশাখ, ১৪৩৩

মোজতবা খামেনিসহ ইরানি শীর্ষ ১০ কর্মকর্তার তথ্যের জন্য ১ কোটি ডলার পুরস্কার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৪ মার্চ, ২০২৬ ০৭:৪৫

শেয়ার

মোজতবা খামেনিসহ ইরানি শীর্ষ ১০ কর্মকর্তার তথ্যের জন্য ১ কোটি ডলার পুরস্কার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের
ছবি সংগৃহীত

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনিসহ ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) সঙ্গে জড়িত শীর্ষ ১০ জন সামরিক ও গোয়েন্দা কর্মকর্তার তথ্যের জন্য এক কোটি ডলার পর্যন্ত পুরস্কার ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের রিওয়ার্ডস ফর জাস্টিস কর্মসূচির আওতায় ১৩ মার্চ, ২০২৬ তারিখে এই পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। ওয়াশিংটনের দাবি, এই ব্যক্তিরা আইআরজিসির মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সঙ্গে যুক্ত।

মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ডিপ্লোম্যাটিক সিকিউরিটি সার্ভিসের প্রকাশিত ওয়ান্টেড তালিকায় আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনির নাম শীর্ষে রয়েছে। তার ছাড়াও তালিকায় থাকা অন্য কর্মকর্তারা হলেন—নিহত বাবার ডেপুটি চিফ অব স্টাফ আলি আসগর হেজাজি, সর্বোচ্চ নেতার সিনিয়র সামরিক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল ইয়াহইয়া রহিম সাফাভি, সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব আলি লারিজানি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসকান্দার মোমেনি এবং গোয়েন্দা মন্ত্রী ইসমাইল খাতিব।

এছাড়া, নাম ও ছবি প্রকাশ না করে আরও চারটি গুরুত্বপূর্ণ পদের জন্য তথ্য চেয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর। এর মধ্যে রয়েছে আইআরজিসির কমান্ডার-ইন-চিফ, সুপ্রিম ডিফেন্স কাউন্সিলের সেক্রেটারি, সর্বোচ্চ নেতার সামরিক দপ্তরের প্রধান এবং সর্বোচ্চ নেতার উপদেষ্টার পদ।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এসব ব্যক্তির সম্পর্কে অথবা আইআরজিসির ঊর্ধ্বতন কমান্ডার ও তাদের সংশ্লিষ্ট নেটওয়ার্ক সম্পর্কে কারো কাছে তথ্য থাকলে তারা এনক্রিপ্টেড মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম বা টর নেটওয়ার্ক-ভিত্তিক যোগাযোগ মাধ্যমের সাহায্যে রিওয়ার্ডস ফর জাস্টিস প্রোগ্রামের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন। তথ্যের গুরুত্ব বিবেচনায় ১০ মিলিয়ন ডলার বা এক কোটি ডলার পর্যন্ত পুরস্কার প্রদানের পাশাপাশি প্রযোজ্য ক্ষেত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পুনর্বাসনেও সহায়তা করা হবে বলে জানিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর।

এই ঘোষণার মাধ্যমে ইরানের নতুন নেতৃত্বের বিরুদ্ধে মার্কিন অবস্থান আরও সুস্পষ্ট হলো। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যৌথ মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর থেকে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করেছে।



banner close
banner close