বুধবার

১১ মার্চ, ২০২৬ ২৭ ফাল্গুন, ১৪৩২

ইরান-ইসরায়েল সংকট: পণ্য পরিবহন খরচ বাড়ার আশঙ্কা, শঙ্কায় সাধারণ মানুষ

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১ মার্চ, ২০২৬ ১২:৫৬

শেয়ার

ইরান-ইসরায়েল সংকট: পণ্য পরিবহন খরচ বাড়ার আশঙ্কা, শঙ্কায় সাধারণ মানুষ
ছবি সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও ইসরায়েলের চলমান সংঘাতের কারণে বৈশ্বিক শিপিং খাতে বাড়তি খরচের চাপ তৈরি হয়েছে, যা শেষ পর্যন্ত সাধারণ ভোক্তাদের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম শিপিং কোম্পানি ডেনমার্কের এপি মোলার-মার্স্কের প্রধান নির্বাহী ভিনসেন্ট ক্লার্ক এই সতর্কবার্তা দিয়েছেন।

ভিনসেন্ট ক্লার্ক বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, সংঘাতের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে জাহাজের পণ্য পরিবহন খরচ বৃদ্ধির চাপ কোম্পানি এককভাবে বহন করতে পারবে না। জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে বা কমলে তার সঙ্গে সমন্বয়ের চুক্তি গ্রাহকদের সাথে থাকায় পরিবহন খরচ বাড়তি দায় গ্রাহক এবং শেষ পর্যন্ত সাধারণ ভোক্তাদের কাঁধেই পড়বে।

তিনি মধ্যপ্রাচ্যের বাণিজ্যিক রুটগুলো সচল রাখতে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানকে একটি সমঝোতায় আসার আহ্বান জানান। সংঘাতের কারণে বিশ্বের অন্যতম কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ দুই নৌপথ কার্যত অচল হয়ে পড়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সংঘাত শুরুর আগে বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হতো। কিন্তু ইরানের পক্ষ থেকে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার হুমকির মুখে এই পথটি বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্সসহ বেশ কয়েকটি দেশ নৌবাহিনীর পাহারায় জাহাজ চলাচলের প্রস্তাব দিলেও তাতে সাড়া দিতে রাজি হয়নি মার্স্ক।

ভিনসেন্ট ক্লার্ক বলেন, প্রধান দুশ্চিন্তা কর্মীদের নিরাপত্তা ও জাহাজের সুরক্ষা। যতক্ষণ ড্রোন হামলার ঝুঁকি থাকবে এবং যুদ্ধবিরতির নিশ্চয়তা না পাওয়া যাবে, ততক্ষণ কর্মীদের ও জাহাজগুলোকে বিপদের মুখে ঠেলে দেওয়া সম্ভব নয়।

অন্যদিকে, হরমুজ প্রণালির কাছে ইরানের ১৬টি মাইন স্থাপনকারী জাহাজ ধ্বংসের দাবি করেছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড সেন্টকম। এ অভিযানের একটি ভিডিও প্রকাশ করে তারা দেখিয়েছে, সাগরে থাকা জাহাজগুলোতে একের পর এক শক্তিশালী হামলা চালানো হয়েছে। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের জাহাজের বিরুদ্ধে দ্রুত ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন।



banner close
banner close